3 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 300TK. 269 You Save TK. 31 (10%)
কাহিনির প্রথম পর্ব
১৯৭১ সালে যেসব দৃশ্য দেখা গেছে
১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি গল্প। গল্পটি একটা ক্রিকেট ম্যাচ থেকে শুরু করা যায়।
সেদিন ঢাকা কলেজের তিন বন্ধু মি
মৃক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি অসাধারণ উপন্যাস না পড়তল বুঝতে পাারা যায় না এই লেখকের নাম এর আগে শুনিন। অনেক শক্তিশালী লেখক । পাণ্ডুলিপিটি বলতে গেলে কুড়িয়ে পেছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক সিরিয়াস একটি উপন্যাস
Was this review helpful to you?
By Tultul Zabin, Jul 23, 2017
‘তিথিডোরঃ মুক্তিযুদ্ধের একটি উপন্যাস হতে পারতো’ বইটি আহমদ বশীর এর লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস । বাংলাদেশের অগ্নিদিনের স্মৃতিজাগানিয়া এ এক উপাখ্যান। ইতিহাসের নির্মম এবং নির্মোহ চাবুক কয়েকজন মানুষের জীবনকে কীভাবে ক্ষত-বিক্ষত করতে পারে তারই একটি খণ্ড চিত্র এঁকেছেন আহমদ, বশীর । আহমদ বশীরের প্রথম গল্পগ্রন্থ অন্য পটভুমি বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮১ সালে , যা হুমায়ুন কাদির পুরষ্কার পেয়েছিল । এর পরে তিনি আরো দুইটি ছোটগল্প সংকলন লিখেছেন কিন্তু এর পরে তিনি হঠাত করে সাহিত্য জগত থেকে কোন এক কারনে সরে গিয়েছিলেন । তবে আবার তিনি হঠাত করে লেখালেখির জগতে ফিরে এসেছেন। তার লেখা তিথিডোর মুক্তিযুদ্ধের একটি উপন্যাস হতে পারতো বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় জয়তী প্রকাশনী থেকে এবং এর প্রকাশক মাজেদুল হাসান । বইটি বাংলাদেশের অগ্নিদিনের স্মৃতিজাগানিয়া এ এক উপাখ্যান। ইতিহাসের নির্মম এবং নির্মোহ চাবুক কয়েকজন মানুষের জীবনকে কীভাবে ক্ষত-বিক্ষত করতে পারে তারই একটি খণ্ড চিত্র এঁকেছেন আহমদ, বশীর । অদৃশ্য এক সুতোর মিলনে চরিত্রগুলো যখন পুতুলনাচের উপজীব্য, শহর ঢাকার এক কোণে একজন সদ্য-তরুণ হাতে তুলে নিচ্ছে কেউ, শহর থেকে পালিয়ে গিয়ে শরণার্থী শিবিরে তৈরি হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা, কেউ-বা ঘাতক পাকিস্তানি পাপচক্ৰকে মেনে নিচ্ছে অন্তর্ঘাতী স্বদেশবোধ থেকে, কেউ নরঘাতক রাও ফরমান আলীর হাতে তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা। কে এবং কেন? মনে পড়ে যায় একাত্তরের প্রথম প্রহরে ঢাকা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের সাথে পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলা। সেই সময় স্বৈরাচারী ইয়াহিয়া অস্বীকার করতে চায় বাংলাদেশের গণদাবি । যে দর্শক উৎফুল্ল হয়ে খেলা দেখছিলো, তারাই তখন ক্রীড়া ক্ষেত্ৰ লণ্ডভণ্ড করে জাগিয়ে তোলে বিশাল মিছিল, মানুষ দাঁড়িয়ে গেছে। প্রতিবাদের অগ্নিবাণে।এই সকল কিছু স্মরনেই লেখক লিখেছেন এই বইটি যা আমাদের সকলেরই ভালো লাগবে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাড়াতে সাহায্য করবে ।
Was this review helpful to you?
By Mahbub Zaman, Jan 12, 2017
বাংলাদেশের অগ্নিদিনের স্মৃতিজাগানিয়া এ এক উপাখ্যান। ইতিহাসের নির্মম এবং নির্মোহ চাবুক কয়েকজন মানুষের জীবনকে কীভাবে ক্ষত-বিক্ষত করতে পারে তারই একটি খণ্ড চিত্র এঁকেছেন আহমদ, বশীর ।
অদৃশ্য এক সুতোর মিলনে চরিত্রগুলো যখন পুতুলনাচের উপজীব্য, শহর ঢাকার এক কোণে একজন সদ্য-তরুণ
হাতে তুলে নিচ্ছে কেউ, শহর থেকে পালিয়ে গিয়ে শরণার্থী শিবিরে তৈরি হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা, কেউ-বা ঘাতক পাকিস্তানি পাপচক্ৰকে মেনে নিচ্ছে অন্তর্ঘাতী স্বদেশবোধ থেকে, কেউ নরঘাতক রাও ফরমান আলীর হাতে তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা। কে এবং কেন? মনে পড়ে যায় একাত্তরের প্রথম প্রহরে ঢাকা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের সাথে পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলা। সেই সময় স্বৈরাচারী ইয়াহিয়া অস্বীকার করতে চায় বাংলাদেশের গণদাবি । যে দর্শক উৎফুল্ল হয়ে খেলা দেখছিলো, তারাই তখন ক্রীড়া ক্ষেত্ৰ লণ্ডভণ্ড করে জাগিয়ে তোলে বিশাল মিছিল, মানুষ দাঁড়িয়ে গেছে। প্রতিবাদের অগ্নিবাণে। মনে পড়ে সত্তরের নির্বাচন শেষে ঢাকা শহরের নয়াবাজারের মোড়ে পড়ে আছে আওয়ামী লীগের নীেকার বিজয়তোরণ। আর তার পাশে বংশালের হােটেল সাইনু পালোয়ানের সাইনবোর্ড, তারপাশে পুরনো এক বাড়ি, নাম যাকে যেতে হতো কামরুন্নেসা স্কুলে, তারাও তো মুক্তিযুদ্ধ আছে! আছে বুকভরা অভিমান। কেন তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হলো বুড়িগঙ্গা নদীর ধারে? মেনে নিতে হলো এতবড় বিচ্ছেদ........।
এত আগুন, এত প্ৰেম, আর এত শব্দের পরেও কি হারিয়ে যাবে একটি নিনাদ, “জয় বাংলা’ ?