আলহামদুলিল্লাহ,
"সাতরঙা ভারুয়াখালী" গ্রন্থের কয়েকটা অধ্যায় আমার পড়ার সুযোগ হয়েছে, পড়ার পরে আমি যা খেয়াল করলাম যে, শ্রদ্ধেয় লেখক জনাব Abdul Hamid (ব্যাংকার) প্রতিটি বিষয়ের সুনিপুণ ব্যাখ্যা, তথ্য নির্ভর উপাখ্যান, গবেষণা নির্ভর উপস্থাপনার বহিঃপ্রকাশ করছেন ।
তাছাড়া আমি লেখকের মধ্যে তিনটি বিষয় লক্ষ্য করলাম-
ক. সমস্যা সমধানের পারদর্শীতা
খ. বিশ্লেষনী চিন্তা দক্ষতা
গ. সৃজনশীলতা
যে কলমের কালীতে উপরোক্ত ( ক,খ,গ) এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয় হয়েছে, সেখানে এই বইয়ের জ্ঞান-গর্ব আলোচনা নিয়ে বেশি কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করছি না। বাকীটুকু নিঃসন্দেহে পাঠকরা বিচার করবেন ।
আমি ইতিহাস প্রেমী পাঠকদের অনুরোধ জানাবো বইটি বাজারে আসলে সংগ্রহে রাখা জন্য। থাকুক না "সাতরঙা ভারুয়াখালী" বইটি আপনার ও আপনার পরিবারের আরেকটি সম্পদ হিসেবে!
পরিশেষে লেখককে সাধুবাদ জানাচ্ছি উনার পরিশ্রমলব্ধ লেখনীর জন্য।
Was this review helpful to you?
By hannan, Sep 18, 2025
কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ৪০০ বছরের ইতিবৃত্ত।একটি গবেষণাধর্মী বই যা পাঠকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিবে।
Was this review helpful to you?
By 880****929, Sep 15, 2025
এটি একটি গবেষণামূলক আঞ্চলিক ইতিহাসগ্রন্থ, যা শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হবে।