শ্রী রণজিৎ কুমার করের লেখা ‘আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস-মুরগী পালন’। সাম্প্রতিক সময়ে হাঁস-মুরগি পালন একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় কৃষি শিল্প হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনায় হাঁস-মুরগির খামার স্থাপনের মাধ্যমে হাঁস-মুরগি পালনকে লাভজনক করে তোলা যায়। মুরগির ডিম থেকে বাচ্চা তৈরি করার জন্য অর্ধ-বদ্ধ পদ্ধতিতে চাষ করতে হবে। তাতে মাংস ও ডিমের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।3W র সাহায্যে বেছে নিতে হবে। ডিম পাড়ার ৭ থেকে ৯ দিনের মধ্যে একটি মোমবাতি বা বৈদ্যুতিক তির সামনে ডিমটি ধরলে যদি কুসুমটিকে স্বচ্ছ দেখায়, তাহলে ঐ ডিম থেকে বাচ্চা হবে না। আর যদি কুসুমটির মাঝে জিজ্ঞাসা চিহ্নের মত কালো দাগ দেখা যায় তাহলে ঐ ডিম থেকে বাচ্চা হতে পারে। গ্রীষ্মকাল হলে ৩ দিনের ও শীতকাল হলে ৭ দিনের বয়সের ডিমকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য ব্যবহার করা যাবে।ডিমে তা দেওয়ার লক্ষণ যে যে মুরগিতে দেখা যাবে, তাদের জন্য মুরগি প্রতি ১০টি করে ডিম বসাতে হবে।মুরগি ডিম পাড়ার ২১ দিনের পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবে। মুগির বাচ্চা ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত আঁতুড় ঘরে রাখতে হয়। আঁতুড় ঘরে বাচ্চাদের ছাড়ার আগে সরবত খাওয়াতে হয়। বাচ্চাগুলিকে অন্য ঘরে তোলার এক সপ্তাহ আগে সেই ঘরটিকে পরিষ্কার করে বন্ধ অবস্থায় রাখতে হবে। ঘরে সমান ভাবে ২ ইঞ্চি পুরু করে পরিষ্কার ও জীবানু মুক্ত ধানের তুষ বা কাঠের গুড়ো ছড়িয়ে দিতে হবে।ধানের তুষের উপর খবরের কাগজ বিছিয়ে দিতে হবে, যাতে মুরগির বাচ্চা এগুলি না খেয়ে ফেলে।ঘরের ভিতর বিদ্যুতের আলো বা কোরোসিন বাতি জ্বালিয়ে ঘর গরম করার পর বাচ্চাগুলিকে ঘরের ভেতর রাখতে হবে।