THE BOOK IS ALL ABOUT THE SPICES YOU LOVE. THE PRODUCTION OF SPICES.
Was this review helpful to you?
By Ratna Biswas, Jul 4, 2017
আধুনিক পদ্ধতিতে মসলা ও সুগন্ধি গাছের চাষ
- হুমায়ুন শেখ
ভেসে আসে, সুগন্ধি আসে পুদিনা পাতা থেকেও। এসবই সুগন্ধি গাছ। সুগন্ধি গাছে একধরনের গ্রন্থি বিভিন্ন প্রকার সুগন্ধি তেলে ভরপুর থাকে। সেসব তেলের কারণেই গাছের বিভিন্ন অংশ থেকে সুগন্ধি বের হয়। এসব গাছ খাদ্যকে সুগন্ধিযুক্ত ও সুস্বাদু করতে, প্রসাধনসামগ্রী, ওষুধ, বালাইনাশক ইত্যাদি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এসব গাছ থেকে সুগন্ধি তেল আহরণ করে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে আমাদের দেশে বেশির ভাগ সুগন্ধি গাছই মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পৃথিবীতে প্রায় ৬০টি পরিবারের কয়েক শত সুগন্ধি গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর বেশির ভাগ গাছই সরাসরি খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এসব গাছ খাদ্যে শুধু সুগন্ধিই আনে না, সুস্বাদু করে, খাদ্যের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি করে। এ দেশের উল্লেখযোগ্য ও সাধারণভাবে আবাদকৃত সুগন্ধি গাছগুলো হলো মরিচ, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, ধনিয়া, বিলাতি ধনিয়া, মৌরি, জৈন, মেথি, কালোজিরা, রাঁধুনি, আম আদা, পুদিনা, সুগন্ধি চাল, তেজপাতা, দারচিনি, গোলমরিচ, বাজনা ইত্যাদি। এসব গাছ এ দেশে ভালো জন্মে। আরো কিছু সুগন্ধিগাছ আছে যেগুলো এ দেশে স্বল্প আকারে হয় অথবা বনজঙ্গলে পাওয়া যায়। যেমন- কারিপাতা, পোলাও পাতা, লেবু ঘাস, ঘাগরা ইত্যাদি। অন্য দেশ থেকে এনে আমরা খাই এলাচ, জিরা, লবঙ্গ ইত্যাদি। তবে আমাদের দেশেই বনবাদাড়ে আরো অনেক সুগন্ধি গাছ আছে যেগুলোর খবর আমরা অনেকে রাখি না বা চিনি না। অপাং, বচ, বেল, কুলাঞ্জন, তারা, গোবুরা, হেলেঞ্চা, আগর, চা, কর্পুর, কমলা, জাম্বুরা, বন হলুদ, গন্ধবেনা, কদবেল, বিলাতি তুলসি, বনমল্লিকা, বেলি, চন্দ্রমূলা, ভুইচাঁপা, দোলনচাঁপা, মেহেদি, দ্রোণ, গাউচি, শ্বেতদ্রোণ, গোলাপ, পান, গোলাপজাম, পাতিজাম, গাঁদা ফুল, জোয়ান, কাশ, একাঙ্গি, চন্দন, বকুল, রজনীগìধা ইত্যাদি। এসব গাছর মধ্যে কিছু গাছ থেকে সুগন্ধি উদ্বায়ী তেল সংগ্রহ করে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।