4 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 150TK. 129 You Save TK. 21 (14%)
এটি পৃথিবীর এমন একটি অরণ্য, যে অরণ্যের গহিনতা এবং বন্যতার তুলনা নেই! এখানে রয়েছে এমন কিছু হিংস্র প্রজাতি যেগুলাে অন্য কোনাে বনাঞ্চলে দেখা যায় না। আছে পদে পদে চোরাবালির ভয়, ভূমিধ
#রহস্যময়_বিজ্ঞান_জগত ও #রকমারি_ডট_কম আয়োজিত বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা
প্রথমেই বইয়ের নাম নিয়ে আলোচনা করা যাক 'এলিমোন' নামটি কোত্থেকে এলো। আচ্ছা, গল্প থেকেই তুলে ধরছি ব্যাপারটি। এলিমোন হচ্ছে 'এলিয়েন হরমোনের' সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি কৃত্রিম উপায়ে তৈরী এক প্রকারের হরমোন যা মানুষের শরীরের জন্য সহনীয়। এর প্রযুক্তিগত পুরো ব্যাখ্যা অত্যন্ত ইন্টারেস্টিং হলেও এই স্বল্প পরিসরে বলা সম্ভব নয়। হরমোন আমাদের শরীরবৃত্তীয় ও আচরণগত পরিবর্তনগুলো নিয়ন্ত্রন করে। অন্যদিকে এলিমোন ল্যাবরেটরীতে তৈরী করে শরীরের কাঙ্খিত অংশে পুশ করে দেয়া হয়।এই এলিমোন কোষের ডি এন এ তে প্রয়োজনীয় জিনগত পরিবর্তন নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে মানুষ বা অন্যান্য যেকোনো প্রাণীতে ইচ্ছামতো পরিবর্তন আনা যায়। এর স্ট্রাকচার কাস্টমাইজ করা যায়। তবে মূল যে স্ট্রাকচার তাকে মাদার স্ট্রাকচার বলে। গ্রোথ হরমোন যেমন মানুষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে তেমনি এই বিশেষ প্রকার হরমোনের কার্যকারিতায় মানুষের শরীরের নানা রকম প্রতিক্রিয়া ও পরিবর্তন ঘটে। কাস্টমাইজেশনের মাধ্যমে এলিমোনের মাদার স্ট্রাকচার থেকে তৈরী করা সম্ভব শত সহস্র রকম এলিয়েন। বইয়ের নাম নিয়েই এতো বেশী বললে গল্প বলবো কখন। তো মোদ্দাকথা যা হলো এলিয়েন+হরমোন শব্দদুটি মিলিয়ে এলিমোন শব্দটির জন্ম। তো এলিমোন দিয়ে বর্তমানে হচ্ছে কি? হ্যাঁ এলিমোন দিয়ে গবেষণা চলছে। বিজ্ঞানী নওয়াজ এই এলিমোনের আবিস্কর্তা, তার নেতৃত্বেই এলিমোন উৎপাদন করা হয়। তবে তা পৃথিবীর মাঠিতে নয়, পৃথিবীর মানুষ এ সম্পর্কে জানে খুব কম, এরা চাইলে হাইপার এলিমোনাল ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে দু একটি রুপ ধারণ ও চূড়ান্তভাবে গ্রহন করতে পারে। যেমন- এলিমোন ব্যবহার করে কেউ মাথায় শিং গজিয়েছে, কেউ লেজ, কেউবা পাখা গজিয়েছে। তবে তা করা খুব কঠিন বিধিনিষেধ ও অর্থ সাপেক্ষ। তো এলিমোন নিয়ে কি রকম গবেষণা হচ্ছে? উত্তরে বলা যেতে পারে মঙ্গল গ্রহে 'এলিয়েন কুইন' নামক বিশাল অঞ্চলে এ নিয়ে গবেষণা চলছে। সেখানে এলিমোনাল ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে মানুষকে জলজ প্রাণী, উদ্ভিদ এবং বিভিন্ন আকারে রুপান্তরের গবেষণা চলছে।
এতক্ষণ যা বললাম তা মূলগল্প নয়, মূল গল্প আরো ইন্টারেস্টিং। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র তুষার ইমরান। যিনি একটি অভিযানে এক জায়গায় যাচ্ছেন। সেখানে নাকি গোপনে কিছু কাজকর্ম চলছে।
তো ভাবছেন, এর সাথে এলিমোনের সম্পর্ক কি?
এটাই তো গল্পের চমকপ্রদ অংশ। যখন অভিযানে বেরিয়ে আসে আরো ভয়ংকর তথ্য। যার সাথে সম্পৃক্ত স্বয়ং মাফিয়া ডন ক্রাশোভস্কি। এমনকি আরও একটি এক্সপেরিমেন্ট 'ইনভিজিবল এলিমোন ' সম্পর্কেও জানা যায়।
তো গল্পের মোড় বুঝতে ও মূলগল্পের মজা নিতে আজই পড়ে ফেলুন এলিমোন বইটি।
আমার কাছে বইটি ভালোই লেগেছে। ছোট্ট সাজানো গল্প, আর গল্পের প্লট অবশ্যই অসাধারণ। এক বসাতেই পড়ে ফেললাম বইটি।
by M R Bijoy