facebook-pixel

Sort

Filters

Authors

close-icon

Categories

close-icon

Publishers

close-icon

Languages

close-icon

Ratings

Shop by Price

৳0

৳300

Shop by Discount

0%

25%

publisher-info
82 followers

Shohid Ahmed

কোনো ওষুধ ছাড়াই শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে জটিল রোগে আক্রান্ত সহস্রাধিক মৃত্যু পথযাত্রীকে সুস্থ্যতার পথ দেখিয়ে তুলে চমক সৃষ্টি করেছেন শহিদ আহমেদ- দাদাভাই নামে যিনি সমাধিক পরিচিত। পেশাগত জীবনে ছিলেন পাটকলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা- চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে কোনোকালেই ছিল না তাঁর ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা, এ বিষয়ে নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাও; অথচ এই মানুষটিই ক্যান্সার, কিডনি বিকল, উচ্চ রক্তচাপ ও উচ্চ মাত্রার ডায়বেটিসসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত শত শত রোগীকে কোনোপ্রকার ওষুধ ছাড়াই শুধু প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে স্রষ্টার অশেষ কৃপায় সুস্থ করে তুলে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন! আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান তথা দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা ডাক্তারগণ যেসব মরণাপন্ন রোগীর হাল ছেড়ে দেন, সেইসব নিশ্চিত মৃত্যু পথযাত্রীকে শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে আবার সুস্থ্যতার পথ দেখান তিনি। রোগীরা আবার ফিরে পান সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব এ রকম ঘটনা একটি বা দু’টি নয়, শত শত। বিগত তিন দশকে নীরবে-নিভৃতে প্রাকৃতিক নিয়মে সুস্থ হওয়ার অসংখ্য নজীর সৃষ্টিকারী শহিদ আহমেদ ওরফে দাদাভাইয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন দেশের অনেক শিল্পপতি, শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও খ্যাতিমান বিত্তশালী ব্যক্তিগণ- যাঁরা এর আগে অনেক অর্থ ব্যয় করে দেশ-বিদেশে চিকিৎসা নিয়েও সুস্থতার কূল-কিনারা করতে পারছিলেন না, কিন্তু দাদাভাইয়ের পরামর্শ মেনে তাঁরাই আবার ফিরে পেয়েছেন সুস্থ জীবন! দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলায় এমন অনেক জ্ঞানী ও গুণীজন জন্মগ্রহণ করেছেন- যাঁরা নিজেদের কর্মগুণে আপামর জনসাধারণের জীবনাচরণ, সমাজজীবন তথা মানবজীবনকেই ভাস্কর করে চলেছেন। যে কীর্তিমান মানুষগুলো জাতীয় প্রেক্ষাপটে গভীরভাবে ছায়াসম্পাত করেছেন, গড়ে তুলেছেন আমাদের জীবনের অভিমুখ এবং অবধারিতভাবে হয়ে হয়ে উঠেছেন ইতিহাসের নায়ক, তাঁদেরই একজন এই শহিদ আহমেদ। এই প্রকৃতি-প্রেমী বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করে তাঁর বিশেষ কর্ম বা সৃষ্টির দ্বারা সামষ্টিক জীবনে অবদান রেখে চলেছেন। শহিদ আহমেদ ১৯৪২ সালের ২৩ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বন্ডবিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শামসুদ্দীন আহমেদ, মা ফাতেমা খাতুন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। ছেলেবেলা কেটেছে বন্ডবিল গ্রামে। প্রথমে আলমডাঙ্গা হাইস্কুলে পড়াশোনা করলেও মেট্রিক পাস করেন ১৯৫৮ সালে রাজবাড়ির আর.এস.কে ইনস্টিটিউট থেকে। তারপর কুষ্টিয়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও খুলনার বিএল কলেজ থেকে স্নাতক (বিএসসি) সম্পন্ন করে ১৯৬৪ সালে ক্রিসেন্ট পাটকলে চাকরিজীবন শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে চারটি পাটকলে চাকরি করে ১৯৮৫ সালে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তাঁর একমাত্র ছেলে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোর-এর কর্নেল আহমেদ শরীফ, পুত্রবধূও সেনাবাহিনীর মেজর। একমাত্র মেয়ে সানথিয়া আইরিন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।