শৈশব কেটেছে ঢাকায় বাংলাদেশে। এরপর কানাডা। বাবা চার্টার্ড একাউন্টেন্ট ছিলেন আর মা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা। বই পড়া শুরু অধ্যাপক নানার ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায়।
সেখানেই ম্যাক্সিম গোর্কির বাংলায় অনূদিত লেখা পড়ে বিদেশি সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয়।
ইংরেজিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা স্বত্তেও বাংলা সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ ছিল ছেলেবেলা থেকেই। কানাডা থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে চাকরি করছে। জনপ্রিয় দৈনিক প্রথম আলোতে ও ভোরের কাগজে নিয়মিত ছোট গল্প লেখেন। লেখালিখি করে সবচেয়ে বড় অর্জন বাংলাদেশের সাথে পুনরায় মনের সংযোগ স্থাপন।
২০২১ বইমেলাতে এসেছে ডিটেক্টিভ থ্রিলার "আবর্ত"। ২০২২ বইমেলাতে প্রকাশিত হয় প্রবাসী জীবনের আখ্যান নিয়ে রচিত দ্বিতীয় জীবন"। সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার "কৃষ্ণচূড়ার দিন" ২০২৩ এর বইমেলায় পাঠকপ্রিয় হয়। ২০২৪ এর বইমেলাতে প্রকাশিত হলো সামাজিক উপন্যাস-
"শরতের শেষ থেকে" আর গল্পগ্রন্থ 'ষড়রিপু"। ২০২৫ বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে সমকালীন উপন্যাস "বৃষ্টির রং হয়ে যাবে নীল" এবং রহস্য উপন্যাস "কুহকিনী"। ২০২৬ বইমেলাতে প্রকাশিত হয়েছে গল্পগ্রন্থ "পঞ্চকন্যা"।