কবিতা লিখি। অসহ্য যন্ত্রণার মতো। না লিখলে আরও বেশি। লিখি যতো, কবিতা ততো বেশি পড়ি। ভালো লাগে। প্রিয়তমা থেকে শুরু করে কিছু ঘাস-লতা-পাতা জড়িয়ে আকাশ হয়ে সাগর বেড়িয়ে আসি কবিতা নিয়ে কিন্তু কোথাও ঠিকানা না পেয়ে আবার কবিতায় ফিরে আসি। কবিতায় কাঁদি, কবিতায় হাসি! মাঝে মাঝে তারাও আমাকে হাসায়, কাঁদায়! কবিতার জন্যেই লিটন মোস্তাফিজ। কবি। জন্মেছিলাম ১৯৮৪ সালের মার্চের ১৩ তারিখে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার বেতালপাড়া গ্রামে। মা গৃহিণী, রাহেলা খাতুন ঘরের কাজ করতেন; এখন ক্যানসারের সাথে যুদ্ধ করছেন। বাবা মাঠে কাজ করতেন; মাঠ থেকে উঠেছেন কিন্তু মাটি ছাড়তে পারেননি। ছেলেবেলায় বর্ণিল বাংলায় দুচোখ দিতেই গন্ধে ভরে ওঠে আমার কাব্য মন। শৈশবের পুরো সময় কাটিয়েছি গ্রামের কাদা-মাটিতে। এখন ঢাকা থাকি। পড়েছি রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমার কয়েকটি বই: আলো অল্পায়ু অনন্ত আঁধার, অনিঃশেষ দ্রোহবৃষ্টি, অনাদি অন্তক্ষরণ, নিমগ্নে নগ্ননৃত্য, বিষণ্ণ বিষাদ, জঘন্য শূন্যে পরিপূর্ণ, লালনের জীবন ও গান। কবিতার জন্য কয়েকটি পুরস্কারও পেয়েছি, যার যোগ্যতা আমার নেই।