অধ্যাপক ড. আবদুল মালেক ভূঁইয়া
আবদুল মালেক ভূঁইয়া (শাহজাহান)
মান্দারপুর গ্রামের বাসিন্দা জন্ম গোপিনাথপুর,
গোপিনাথপুরেই নানার বাড়ি দুই ক্রোশ পথ দূর।
কসবা উপজেলার অন্তর্গত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া,
মাতা মরতুজা বেগম, পিতা আবদুল মোতালিব ভূঁইয়া।
ফেব্রুয়ারি মাসের বারো তারিখ উনিশবায়ান্ন সালে,
জন্মেছিলেন গোপীনাথপুরে মা জননীর কোলে।
মাতা ছিলেন গৃহিণী, তাঁর পিতা সরকারি কর্মচারী,
সুনাম আছে দুজনারই, পিতা খুবই পরোপকারী।
এসএসসি তাঁর অন্নদা স্কুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর,
প্রথম শ্রেণিতে এমএসসি, বাড়ল স্যারের কদর।
গবেষক হিসেবে জীবন শুরু উদার স্যারের মন,
দেশ বিদেশে পড়াশোনা শিক্ষকতার জীবন।
এমএসসি, এমফিল পিএইচডি ডিগ্রি তাঁর অর্জন,
জীবন কাটান নানান বিষয়ে গবেষণা ও অধ্যয়ন।
শিক্ষকতা তেতাল্লিশ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,
কর্মজীবন প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ছিল দীর্ঘ বলয়।
অধ্যাপক পদে অবসরে যান দুই হাজার আঠারো সাল,
দেশ বিদেশে ভ্রমণ যান অস্ট্রেলিয়ায় কিছু কাল।
সেথায় বসে প্রকাশ করেন নানান গবেষণা প্রবন্ধ,
বিষাক্ত মাকড়সা ও সাপ বিষয়ে ছড়ায় সুগন্ধ।
'পরিবেশ বিদ্যা’র দুইটি বই বাজারে পাওয়া যায়,
'অতিক্ষুদ্র জলজ প্রাণী' আছে স্যারের লিখায়।
'কাব্যে কাব্যে জীবন' ও 'অবসরের দিনগুলো',
তাইতে লেখা কবিতার বই দুইটি প্রকাশিত হলো।
প্রাণী নিয়ে কবিতার বই 'প্রাবিতা' 'রঙ বেরঙের ছবি',
প্রকাশিত হলো বই মেলায়, লেখাটাই স্যারের হবি।
'অর্জন' নামের বইটি দুইহাজারচব্বিশের বইমেলায়,
'আমার দেখা মুক্তিযুদ্ধ' বইটিও ছিল তালিকায়।
গবেষণা প্রবন্ধ পঁচিশটি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর,
দেশ বিদেশের নানান জার্নালে প্রশংসায় দাবিদার।
'মান্দারপুর একটি গ্রামের নাম' বইয়ে মনের যত কথা,
এক এক করে লিখেছেন তিনি, খুলে স্মৃতির পাতা।
এবারের বইটি বর্ণমালা নিয়ে, কিছু প্রাণীর পরিচয়,
কোমলমতি শিশুদের জন্য অক্ষরজ্ঞানও হয়।
দুইহাজারছাব্বিশের বইমেলায় বইটি প্রকাশিত হবে,
স্মরণ রেখে আল্লাহর নাম লিখেছেন নীরবে।
অবসরে তাঁর দিনগুলি যায় নানান বিষয়ে লিখে,
ভ্রমণকালে দেশ বিদেশে নানান বিষয় শিখে।