একজন সর্বকালের সেরা অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন, বলেছেন স্যার লরেন্স অলিভার। না কেবল অভিনেতা নন, নির্মাতাও তিনি। বিস্ময়কর সব সৃষ্টির একনিষ্ঠ দখলদার ছিলেন চ্যাপলিন। আজো মানুষ তাঁকে মনে করে ভালোলাগায়, তার সৃষ্টিতে বিমোহিত হয়। চ্যাপলিনের সৃষ্টিতে শিশুরা একাত্ম হয়, বৃদ্ধেরা প্রাণ ফিরে পান আর রসজ্ঞরা এর আদিমতায় বিচলিত হয়ে পরক্ষনেই একেবারে হতবাক হয়ে যান- রসবৈভবেরও অমোঘ প্ররোচনায়!
এক সমীক্ষায় দেখা যায় যে গড়পড়তা হিসাব অনুসারে চ্যাপলিনের প্রত্যেকটি ছবি প্রায় ৩৫০ লক্ষ লোক দেখেছেন। মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সেই চ্যাপলিন হয়ে ছিলেন পৃথিবীর সেরা এন্টারটেইনার। ১৯১৪-১৯২০ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্কের ক্রিস্টাল হল চ্যাপলিনের ছবি ছাড়া অন্য কোন ছবি দেখায় নি!
সত্যজিৎ রায় বলেছেন- যদি এমনও কোনদিন ঘটে যে, পৃথিবীতে চলচিত্র বলে আর কোন কিছুর অস্তিত্বই রইলো না, তবুও থাকবে চার্লি চ্যাপলিন, তাঁর ঐ অমরতার দাবী নিয়ে।
“হলিউডের রাজনীতি ও চার্লি চ্যাপলিন” বইটি তে লেখক নিমিষেই মন ভালো করে দিতে পারার এক অপরূপ ক্ষমতার অধিকারী ব্যাক্তির সামগ্রিক জীবন সংগ্রাম তুলে ধরেছেন সুন্দর আর সাবলীল ভাষায়।