কৃষিবিদ সিরাজুল করিমের লেখা ’আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস-মুরগী ও পশু পালন ‘।হাঁস মুরগি পালনে বাংলাদেশ যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আমাদের দেশের আবহাওয়া হাঁস-মুরগি পালনে খুবই উপযোগী। সমস্যা হচ্ছে হাঁসের মাংস ও ডিম মুরগির মাংসের চেয়ে জনপ্রিয় কম। তবে বর্তমানে এটি অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এখন হাঁস-মুরগি চাষ লাভজনক একটি প্রযুক্তি। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস -মুরগি চাষে এগিয়ে আসছেন এবং প্রধান পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন হাঁস-মুরগি চাষ। মৎস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে, পুকুরে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুব সহজে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। হাঁস পালনের ক্ষেত্রে উন্নত জাতের খাকি ক্যাম্পবেল হাস পালন সব দিক দিয়ে লাভজনক | হাসের খাবারে বাদামের খোল ব্যবহার করা উচিত নয় এটি একটি সংকরায়নপদ্ধতিতে উৎপন্ন এক মাস বয়সের আগে হাসের বাচ্চাকে জলে সাতার কাটার জাতের সহনশীল প্রজাতির হাস। খাকি সুযোগ দেওয়া উচিত নয় ক্যাম্পবেল হাস পালন লাভজনক | টিকা দেওয়ার সময় বা অন্য সময়ে হাসের পা ধরা উচিত নয় কারণ – ডিম ফুটে বাচ্চা তৈরি করতে হলে ৬টি মাদি হাসের সঙ্গে একটি এই হাস ৪-৫ মাসে ডিম পাড়তে হাসা রাখা দরকার শুরু করে। একটি ডিমের পুষ্টিগুণ হাসকে কখনোই মুরগির খাবার খাওয়ানো উচিত নয় দুই গ্লাস দুধের পুষ্টি গুণের সমান। | সুষম খাবার না খাওয়ালে আশানুরূপ ডিম পাওয়া যাবে না বেশি ডিম দেওয়ার জন্য এই হাস | হাসের খাবার কখনোই ১০ দিনের বেশি কিনে বা তৈরি করে ঔষধ ও টিকা দেওয়া দরকার পর্যন্ত ডিম পাড়তে পারে। এরা একনাগাড়ে ২ বছর থেকে ২ বছর ৬ মাস পর্যন্ত ডিম পাড়তে পারে। দেশি হাস বা মুরগির ডিমের চেয়ে এদের ডিম বড় হয়। ফলে বেশি দাম পাওয়া যায়। কম জলেও এদের পোষা যায়। এরা সহনশীল প্রজাতির হাস, তাই খুব গরম বা ঠাণ্ডায় এদের বিশেষ ক্ষতি হয় না। লো জৈব সার তৈরি হয় এবং সেই মল মাছের ভালো খাবার হিসাবে কাজ করে।