বর্তমানে শহর, উপ-শহর এবং গ্রামেও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মুরগির খামার গড়ে উঠছে। বসত বাড়িতে মুরগি চাষ হচ্ছে একটি সহজ এবং লাভজনক কাজ। বাড়ির গৃহিণীরা খামার স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারে। পারিবারিক এই খামারে ডিম পাড়া মুরগি ছাড়াও ব্রয়লার মুরগি চাষ করা যায়। এ অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে বাণিজ্যিক খামার প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগে।মুরগি পালনের উপকারিতা অনেক। মুরগির ডিম ও গোশত পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। অল্প টাকা বিনিয়োগ করে অধিক আয় করা যায়। মুরগির বিষ্ঠা জৈব সারের একটি ভালো উৎস। বিচরণের সময় মুরগি পোকা-মাকড় খেয়ে তা দমন করতে সহায়তা করে। ড. মুহাম্মদ ইব্রাহিমের লেখা ‘মুরগি পালন’ বইটিতে মুরগি লালন পালন ও ব্যবসায়িক দিকে সফলতার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মুরগী পালন ব্যবস্থাপনা: ছাড়া অবস্থায় মুরগি পালন পদ্ধতি- এ পদ্ধতিতে গ্রামে-গঞ্জে গৃহস্থের বাড়িতে স্বাধীনভাবে মুরগি ঘুরে বেড়ায় এবং বাড়ির আঙ্গিনা, রাস্তা-ঘাট, মাঠ ও ক্ষেত খামারে অবাধে ঘুরে বেড়ায়, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খাবার কুড়িয়ে খায়। বাসস্থান- মুরগির বাসস্থান এমন এক জায়গায় হতে হবে যা রোদ, বৃষ্টি ঠান্ডা থেকে মুক্ত থাকে। জায়গাটি অবশ্যই খোলামেলা হতে হবে। মুরগির ঘর তৈরির নিয়ম- ঘরের বেড়া বাঁশের তরজা বা কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি করতে হবে। এছাড়া মাটির দেয়ালও তৈরি করা যাবে। বেড়া বা দেওয়ালে আলো বাতাস চলাচলের জন্য ছিদ্র থাকতে হবে। ঘরের চাল খড়, টিন বা বাঁশের তরজার সাথে পলিথিন ব্যবহার করে তৈরি করা যাবে। এরকম ঘরে ১০-১৫টি মুরগি পালন করা যায়।