সামাজিক বিজ্ঞানের ছাত্র হয়ে কিভাবে এই লোক প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের উপর কিছু লিখতে পারে ? এত বড় সাহস হয় কিভাবে ? সাহিত্যের মত বিজ্ঞানেও সবারই প্রবেশাধিকার আছে কিন্তু কোন সাহিত্য রচনা না করে যেমন সাহিত্যের গুণাগুণ বিচার করা যায় না অর্থাৎ কোন সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি না করে যেমন সাহিত্যের উপর কোন বই লেখা যায় না ঠিক তেমনি কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার না করেও বিজ্ঞানর উপর কোন বই লেখা যায় না। হ্যা একেবারে যে যায় না তা নয়, অবশ্যই যায় কিন্তু তাতেও কিছু ব্যাপার আছে। সাহিত্য রচনা না করে সাহিত্যের উপর বই তখনই লেখা যায় যখন তুমি সাহিত্যের ছাত্র হবে। ঠিক সেরকম কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার না করেও তখনই বিজ্ঞানের উপর বই লেখা যায় যখন তুমি বিজ্ঞানের ছাত্র হবে। সাহিত্য বিভাগের ছাত্র সাহিত্য সৃষ্টি না করেও সাহিত্যের উপর বই লিখতে পারে ( সেই অধিকার তার আছে ) কিন্তু সাহিত্যের ছাত্র না হয়ে যদি কেউ সাহিত্যের উপর বই লিখতে যায় তবে তাকে অবশ্যই সাহিত্য সৃষ্টি করে দেখাতে হবে তা নাহলে তার কোন অধিকার নাই সাহিত্যের উপর বই লেখার। ঠিক তেমনি, বিজ্ঞানী না হয়েও I mean বৈজ্ঞানিক আবিস্কার না করেও বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র বিজ্ঞানর উপর বই লিখতে পারে কিন্তু Commerce বা Arts এর ছাত্রকে বিজ্ঞানের উপর কোন বই লিখতে হলে অবশ্যই কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার করে দেখাতে হবে তানাহলে তার কোন অধিকার নাই বিজ্ঞানের উপর বই লেখার। আর অনধিকার চর্চা করা কখনো উচিত না। আমি লেখককে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার না করে বিজ্ঞানের উপর আর বই না লিখতে এবং যেগুলো লিখছে সেগুলোও বন্ধ করে দেবার জন্য। কেননা, সামাজিক বিজ্ঞানের কোন বিষয়ে অধ্যয়ণ করা ব্যাক্তির কাছ থেকে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কোন বিষয় জানতে বা শিখতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের Studentদের ( আমার মত ) প্রচন্ড আত্মসম্মানে বাঁধে।