বার বছরের ছেলে হান্স তোমাস বাবার সাথে একা থাকে । বাবা জীবন সম্পর্কে জ্ঞান দিতে চায় ওকে, ওর মাঝে জাগিয়ে তুলতে চায় দর্শনের নেশা । হান্স তোমাসের মা নিজের খোঁজে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ওর বয়স ছিল চার বছর । মায়ের বর্তমান আবাস গ্রীসের উদ্দেশ্যে বাবা আর ছেলের যাত্র দিয়ে শুরু এ কাহিনীর ,ওকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে চায় ওরা। চলার পথে সুইটযারল্যান্ডের এক পেট্রল স্টেশনে হান্স তোমাসের হাতে একটা আতসী কাঁচ তুলে দিল এক বামন । পরদিন রুটির ভেতর আঁটা একটা আস্ত বইই পেয়ে গেল ও, যেটা কেবল আতসী কাঁচ দিয়েই পড়া সম্ভব। বইটা ওখানে এলো কি করে? বামনটা বারবার,দেখা যাচ্ছে কেন? গোটা ব্যাপরটাই ভারি বিভ্রান্তিকর । মায়ের সাথে দেখা হওয়ার ভীতিকর সম্ভাবনা নিয়ে হান্স তোমাসের পক্ষে তা সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়ল। ওর সফর এবার দুর্বোধ্য কিছুর মোকাবিলায় পরিণতি হয়েছে.......নাকি এসবেরই যৌক্তিক ব্যাখ্যা রয়েছে?
অনুবাদক শওকত হােসেন-এর আদি নিবাস চট্টগ্রাম জেলার পরাগলপুর গ্রামে। বাবার বিচার বিভাগীয় চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন শহরে কেটেছে বাল্য ও কৈশাের। বই পড়ার অদম্য নেশা পেয়েছেন বই প্রেমী মায়ের কল্যাণে। ১৯৮৫ সালে রানওয়ে জিরাে-এইট অনুবাদের মাধ্যমে হঠাৎ করেই লেখালেখির শুরু শওঁকত হােসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স করেছেন। বর্তমানে একটি বেসরকারী ব্যাংকে কর্মরত।