‘কাব্যতিথি’। লোহাগড়া লেখক পরিষদের পঞ্চম যৌথকাব্য সংকলন। যার পৃষ্ঠপোষক, লেখক, সম্পাদক সবাই লোহাগড়া লেখক পরিষদ পরিবারের সদস্য। কবিয়াল বিজয় সরকার, চিত্র শিল্পী এস এম সুলতান, জারী সম্রাট মোসলেম উদ্দিন, ধুয়ো গানের দিকপাল আব্দুল লতিফ সরকার, কথা সাহিত্যিক নিহার রঞ্জন গুপ্ত, কবি মহসিন হোসাইন, কবি আব্দুল গফুর, স্বভাব কবি বিপিন সরকারের ন্যায় অনেক কবি সাহিত্যিকদের জন্মভিটা নড়াইলে। নড়াইল জেলা সাহিত্য চর্চার এক উর্বর ভূমি। পূর্ব পুরুষের স্মৃতির মালা যেনো হারিয়ে না যায় সে কারণে ২০১৮ সালে কবি প্রবক্তা সাধুকে পাশে নিয়ে গঠন করেছিলাম লোহাগড়া লেখক পরিষদ। মূলত মান সম্মত সাহিত্য চর্চার পথে হাঁটছি আমরা। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের দূর্বল প্রেরণায় লোহাগড়া লেখক পরিষদের অনেকই ছন্দ, মাত্রা, উপমা, উৎপ্রেক্ষা, অলংকার বিষয়ে পারদর্শী হয়ে উঠেছেন। দিনদিন যৌথ কাব্যগ্রন্থের মানও উন্নত হচ্ছে। এবার অনেক নতুন সদস্য কাব্যতিথি যৌথগ্রন্থে লেখা দেয়ায় বইয়ের কলেবর বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ধন্যবাদ নতুন পুরনো সকল সদস্যদের। বইটি সম্পাদনার দায়িত্ব আমার মতো অযোগ্য মানুষের উপর বর্তালেও আমি চেষ্টার ত্রুটি রাখিনি। আর আমাকে এ কাজে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করছেন লোহাগড়া লেখক পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং কাব্য তিথির সহকারী সম্পাদক, তরুণ কবি মোঃ সোহাগ মোল্যা (মঈনুল)। নিজের কর্মব্যস্ততার মধ্যেও সবসময় কাব্যতিথি নিয়ে কাজ করে গেছেন। ছুটির দিনেও আমার বাসায় এসে সম্পাদনায় আমাকে সহযোগিতা করেছেন। কাব্যতিথি নামকরণ করেছেন লোহাগড়া লেখক পরিষদের অর্থ সম্পাদক কবি রুদ্ধ পথিক। কাব্যতিথি প্রকাশে বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দিয়েছেন কবি আতিয়ার রহমান, কবি ননীগোপাল চক্রবর্তী, কবি মফিদুল ইসলাম, কবি দুখু হুমায়ুন, কবি প্রবক্তা সাধু, কবি টিপু সুলতান, কবি রেকসনা আক্তার, কবি কামনা ইসলাম, কবি বি,এম, মিজানুর রহমান, কবি সৈয়দ ইমরান আলী প্রমুখ। উচ্ছ্বাস প্রকাশনীর কর্ণধার প্রিয় মানুষ কবি আহমেদ মুনিরের অবদান অতুলনীয়। তাঁকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না। আমাদের চেষ্টা থাকা স্বত্ত্বেও যে কোনো প্রকার ভুলত্রুটি সম্মানিত পাঠক সমাজেকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার বিনীত অনুরোধ করছি। আশা করি কাব্য তিথি পাঠকের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।