১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
নারী—মহান আল্লাহর এক সম্মানিত সৃষ্টি, যার মাঝে রয়েছে রহমত ও স্নেহের কোমলতা, বিশ্বাসের দীপ্তি, আর দায়িত্বের আলোকছায়া। ইসলাম তাঁকে দিয়েছে এমন মর্যাদা, যা কোনো সভ্যতা, কোনো যুগ কখনোই দিতে পারেনি—যেখানে তিনি মা হয়ে জান্নাতের দরজা, স্ত্রী হয়ে শান্তির আশ্রয়, আর কন্যা হয়ে রহমতের বার্তা হতে পারেন।
এই গ্রন্থে আপনি খুঁজে পাবেন আপনার সেই হারিয়ে যাওয়া পরিচয়—যা কুরআনের আয়নায় স্বচ্ছ, সুন্নাহর আলোয় উজ্জ্বল। জীবনের প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি সিদ্ধান্তে দ্বীন আপনাকে দেবে সত্য ও ভারসাম্যের পথনির্দেশ—সম্মান, দায়িত্ব ও আত্মমর্যাদার এক সুন্দর সমন্বয়।
এটি কেবল একটি বই নয়, এ এক হৃদয়ের আহ্বান—আপনি যেন চিনে নিতে পারেন নিজেকে, ভালোবাসতে পারেন আপনার রবের দেওয়া মর্যাদাকে, আর ফিরে যেতে পারেন সেই পথে, যে পথে লুকিয়ে আছে আপনার দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্যের চাবিকাঠি।
নারীর ফরজ ইলমঃ-
মানুষকে আল্লাহ অনর্থক সৃষ্টি করেননি। তিনি নারী পুরুষ সকলকে তার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি মানুষকে পালনীয় ও বর্জনীয় বিধান দিয়েছেন। যেগুলো পালন করা আর সে বিধানগুলো পালন করার জন্য জরুরী হল জানা। ফলে ইসলাম এই জানা বা ইলমটাকেও ফরজ হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। কারণ ইলম ছাড়া কেউ প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর ইবাদাত ও দাসত্ব করতে পারবে না। এই বিধান নারীর জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য।ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘মহিলারা পুরুষের মতোই শরীয়তের দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাই তাদের ওপর যেসব বিষয় ওয়াজিব ও ফরয, সেসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করাও তাদের জন্য ওয়াজিব; যাতে তারা তাদের ওপর অর্পিত বিধানসমূহ যথাযথ ও সুষ্ঠূভাবে পালন করতে পারে।' আমাদের বইটি একজন নারীর জন্য ইলম অর্জনের ফরজ আদায়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী হবে আশা করি।
বর্তমানের পৃথিবীতে বসে যারা আগামীর স্বপ্ন দেখেন, মাওলানা ইফতেখার সিফাত হলেন তেমনই একজন ব্যক্তিত্ব। তার চিন্তাশক্তি ও চিন্তাসূত্র থেকে যে ক্রিটিকস ও সমাধান উদ্গত হয়, তা মেঘের আড়ালের রোদ্দুর হয়ে দীর্ঘসময় আলো ছড়ানোর শক্তি রাখে। সাধারণত এ বিষয়ের লেখকেরা গম্ভীর ও জটিল ভাষায় লেখালেখি করেন। মুহতারাম ইফতেখার সিফাতের স্বাতন্ত্র্য এই জায়গাটিতেই। তিনি জটিল ও শাস্ত্রীয় বিষয়কে ফুটিয়ে তোলেন জনমানুষের ভাষায়। যে ভাষায় মানুষ কথা বলে ও মনের ভাব প্রকাশ করে। ফলে তার লেখা থেকে 'মুক্তো তুলে মালা গাঁথা' একেবারেই সহজ।
তিনি সামসময়িক মুসলিমদের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও সমাধান নিয়ে কাজ করেন। বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই ও চেতনার আগ্রাসনের ফলে আমাদের ওপর যে পারতন্ত্র্য চেপে বসেছে, তার স্বরূপ উদ্ঘাটন ও শরিয়াহভিত্তিক সমাধান পাওয়া যায় তার লেখায়। তার প্রশংসনীয় একটি দিক হলো, তিনি চলতে ভালোবাসেন কুরআনের মাইলফলক দেখে, ভাবতে ভালোবাসেন হাদিসের সীমানায় থেকে এবং বলতে ভালোবাসেন সালাফের ফাহমে সজ্জিত হয়ে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই তার লেখা মার্জিত এবং বোদ্ধামহলে গৃহীত।
তিনি পড়াশোনা করেছেন কওমি মাদরাসায়। একাডেমিক পড়াশোনা সমাপ্ত করে এখন তিনি ব্যস্ত চিন্তা-বিনির্মাণ ও লেখালেখি নিয়ে। ইতিমধ্যেই তার বেশ কিছু বই বাজারে এসেছে। তার চিন্তা ও প্রয়াসে যে গতি ও স্বচ্ছতা রয়েছে, তা এই প্রজন্মের রাহবার হয়ে উঠুক। এ দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার ক্ষেত্র তার হাত ধরে এগিয়ে যাক। এ-ই কামনা।