ভিক্ষু বুদ্ধদেবের লেখা ’গোলাপ’।বইটিতে রয়েছে- গোলাপের জীবনধারা , গৃহসজ্জায় গোলাপ
প্রতিযোগিতায় ভারতীয় গোলাপের শ্রেণীবিন্যাস , জমিতে গোলাপ , টবে গোলাপ , গোলাপের শ্রেণীগত চাষের বৈশিষ্ট্য, গোলাপের আরো পরিচর্যা , প্রতিযোগিতায় যোগ দেয়া , প্রদর্শনীতে গোলাপের বিচার, গোলাপের নানা দিক. গোলাপের সংকরায়ন, গোলাপের বংশবিস্তার, রোগপোকা ও প্রতিকার , মাটি-বিনে টবে গোলাপ , গোলাপের পণ্য সম্ভার ইত্যাদি।গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়। রঙ, গন্ধ ও সৌন্দর্যের জন্য গোলাপ ফুল সবার কাছেই প্রিয়। যার কারণে বাংলাদেশে এই ফুলের চাহিদাও অনেক বেশি।বর্তমানে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে বহুজমিতে গোলাপের চাষ হচ্ছে। এছাড়া দিন দিন গোলাপের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গোলাপ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আমাদের দেশে নানান রঙ ও জাতের গোলাপ ফুল চাষ করা হয়ে থাকে। জাত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গোলাপ সাদা, লাল, হলুদ, কমলা, গোলাপি এবং মিশ্রিত রঙের হয়ে থাকে। এ ছাড়াও রানি এলিজাবেথ (গোলাপি), ব্ল্যাক প্রিন্স (কালো), ইরানি (গোলাপি), মিরিন্ডা (লাল), দুই রঙা ফুল আইক্যাচার চাষ করা হয়। সাধারণত চারা রোপণের ২-৩ সপ্তাহ আগে জমিকে গভীরভাবে চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝরঝরে ও সমান করে নিতে হবে। নতুন চারা না লাগিয়ে এক বছর পুরানো চারা লাগানো উচিত।গর্তের মধ্যে চারা সোজাভাবে লাগাতে হবে। চারার শেকড় মাটি দিয়ে সম্পূর্ণ ঢেকে দিতে হবে। জোড় কলমের মাধ্যমে তৈরি চারার জোড়ের জায়গাটি মাটি থেকে অন্তত ৩-৪ সে.মি. উপরে রাখতে হবে।