23 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 350TK. 301 You Save TK. 49 (14%)
বিভিন্ন প্রকার মাছ
আমাদের বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। আমাদের রয়েছে মাছ চাষের ঐতিহ্য। পুকুর, খাল-বিল, নদ-নদী, সাগর ও মহাসাগরে কত রকমের যে মাছ রয়েছে তার সঠিক হিসাব করা একটি দুরূহ ব্যা
ফয়সাল বিন আমিনের লেখা ’সহজ উপায়ে মাছ চাষ’। মাছ হচ্ছে প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস। কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন এবং পুষ্টি সরবরাহে মৎস্য সম্পদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মাছ চাষের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে, যেমন-একই পুকুরে নানা জাতের মাছ চাষ করা যায়, খাল ও ডোবায় মাছ চাষ করা যায়, আবার চৌবাচ্চায়ও মাছের চাষ করা যায়। সাধারণত মাছের জন্য পুকুরে খাবার উৎপাদনই হচ্ছে মাছ চাষ। এটি কৃষির মতই একটি চাষাবাদ পদ্ধতি। আবার কোন নির্দিষ্ট জলাশয়ে পরিকল্পিত উপায়ে স্বল্প পুঁজি, অল্প সময় ও লাগসই প্রযুক্তির মাধ্যমে মাছের উৎপাদনকে মাছ চাষ বলে। মূলত বিভিন্ন নিয়ম মেনে প্রাকৃতিক উৎপাদনের চেয়ে অধিক মাছ উৎপাদনকেই মাছ চাষ বলা হয়। নির্বাচিত প্রজাতির পোনা মজুদ করার সময় বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো যে হ্যাচারি থেকে পোনা কেনা হবে সেখানে ভাল ও পরিপক্ক ব্রুড থেকে পোনা উৎপাদন করা হয়েছে কি-না, পোনা সবল না দূর্বল, পোনার সাইজ কেমন ইত্যাদি। দূরবর্তী স্থানে পোনা পরিবহন করার সময় অক্রিজেন সহ পলিথিন ব্যাগে পরিবহন করতে হবে। পোনা ক্রয় করার পূর্বে নিশ্চিত হতে হবে যে মজুদ পুকুর সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। পোনা মজুদের পুকুর আয়তনে ছোট (২০-৩০ শতাংশ) ও সদর জায়গায় (চোখের সামনে) হলে ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা করতে সহজ হয়। তাজাভাবে মাছ সংরক্ষণের জন্য এই কৌশলগুলো অনুসরণ করা যায় : কনোভাবে অথবা ভেজা অবস্থায় লবণ দিয়ে মাছ সংরক্ষণ করা যায়। মাছ কেটে নাড়ি ভুড়ি ও মাথা ইত্যাদি ফেলে দিয়ে চাক করে সেগুলো সিদ্ধ করতে হবে। এরপর লবণ, তেল, মসলা ইত্যাদি চাকের সাথে মেখে টিনের পাত্রে সুন্দর করে স্তরে স্তরে সাজিয়ে পাত্রটি বায়ুশূন্য করে মুখবন্ধ করতে হবে। একে বলে ফিসকেনিং পদ্ধতি। বরফ ছোট ছোট টুকরা করে ঝুড়ি বা প্যাকিং বাক্সের তলায় ঘন করে দিয়ে মাছের স্তর সাজাতে হবে। মাছের স্তরে স্তরে বরফ দিয়ে প্যাকিং করে দিতে হবে। ব্যবসাভিত্তিক মাছ কোল্ড স্টোরেজে কমদামে একসঙ্গে অনেক সংরক্ষণ করা যায়। বালির উপর মাছ ছাড়িয়ে দিয়ে অথবা দড়ি টানিয়ে রোদের তাপে ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।