১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
পৃথিবীর প্রতিটি সৃষ্টির পরিচয় রয়েছে। পরিচয় ছাড়া কোনো জিনিসের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটি আল্লাহর সৃষ্টির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জীব কিংবা জড়, সবারই রয়েছে নিজস্ব পরিচয়। এর নাম আত্মপরিচয়।
একজন মুসলমানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আপনার পরিচয় কী? কী উত্তর আসবে বলুন তো?
• কেউ বলবে, আমি মানুষ!
• কেউ বলবে, আমি অমুক কোম্পানীর অনার।
• কেউ বলবে, আমি একজন মুসলমান।
এসব উত্তরের পেছনে কোন বিষয়টি কাজ করে বলুন তো? নিজের আত্মপরিচয় জানা ও না জানার বিষয়টি।
যে ব্যক্তি নিজেকে মুসলমান বলে পরিচয় দেয়, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, খোদ সে-ও জানে না, মুসলমানের আত্মপরিচয় কী! বিষয়টি চিন্তার কারণ, ভয়েরও কারণ।
.
কেননা, আত্মপরিচয় আমাদের জীবনের মৌলিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখে। যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনি আমাদের পরিচয়ও সৃষ্টি করেছেন। তাই আমরা যদি নিজেরা নিজেদের পরিচয় নির্ধারণের চেষ্টা করি, তা সঠিক হবে না। আমরা আমাদের পরিচয়টা নেব ইসলামি শরিয়াহ থেকে, যা আল্লাহ শুধু আমাদের জন্যই উপহার দিয়েছেন! এবার বলুন তো, একজন মুসলমানের আত্মপরিচয় কী? এই প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর নিয়েই প্রকাশিত হচ্ছে মাওলানা ইফতেখার সিফাত হাফিজাহুল্লাহর চতুর্থ মৌলিক বই, ‘আত্মপরিচয়ের সংকট’! .
আত্মপরিচয় কী, আমাদের আত্মপরিচয় কী, আত্মপরিচয় ভুলে গেলে কী হবে, এই সংকট কাটিয়ে ওঠার পদ্ধতিই-বা কী—সব উত্তর এই দুই মলাটের মধ্যেই মিলবে ইনশাআল্লাহ। আর ‘আত্মপরিচয় ছাড়া জীবনের এতটুকু সময় কাটিয়ে দিলাম, এখন না জানলেও সমস্যা নেই’—এ কথা যারা বলবেন, তাদের ভুলও ভেঙে যাবে ইনশাআল্লাহ। মনে রাখবেন, ‘জানার কোনো শেষ নেই, শোধরানোরও কোনো বয়স নেই।’
বর্তমানের পৃথিবীতে বসে যারা আগামীর স্বপ্ন দেখেন, মাওলানা ইফতেখার সিফাত হলেন তেমনই একজন ব্যক্তিত্ব। তার চিন্তাশক্তি ও চিন্তাসূত্র থেকে যে ক্রিটিকস ও সমাধান উদ্গত হয়, তা মেঘের আড়ালের রোদ্দুর হয়ে দীর্ঘসময় আলো ছড়ানোর শক্তি রাখে। সাধারণত এ বিষয়ের লেখকেরা গম্ভীর ও জটিল ভাষায় লেখালেখি করেন। মুহতারাম ইফতেখার সিফাতের স্বাতন্ত্র্য এই জায়গাটিতেই। তিনি জটিল ও শাস্ত্রীয় বিষয়কে ফুটিয়ে তোলেন জনমানুষের ভাষায়। যে ভাষায় মানুষ কথা বলে ও মনের ভাব প্রকাশ করে। ফলে তার লেখা থেকে 'মুক্তো তুলে মালা গাঁথা' একেবারেই সহজ।
তিনি সামসময়িক মুসলিমদের মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও সমাধান নিয়ে কাজ করেন। বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই ও চেতনার আগ্রাসনের ফলে আমাদের ওপর যে পারতন্ত্র্য চেপে বসেছে, তার স্বরূপ উদ্ঘাটন ও শরিয়াহভিত্তিক সমাধান পাওয়া যায় তার লেখায়। তার প্রশংসনীয় একটি দিক হলো, তিনি চলতে ভালোবাসেন কুরআনের মাইলফলক দেখে, ভাবতে ভালোবাসেন হাদিসের সীমানায় থেকে এবং বলতে ভালোবাসেন সালাফের ফাহমে সজ্জিত হয়ে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই তার লেখা মার্জিত এবং বোদ্ধামহলে গৃহীত।
তিনি পড়াশোনা করেছেন কওমি মাদরাসায়। একাডেমিক পড়াশোনা সমাপ্ত করে এখন তিনি ব্যস্ত চিন্তা-বিনির্মাণ ও লেখালেখি নিয়ে। ইতিমধ্যেই তার বেশ কিছু বই বাজারে এসেছে। তার চিন্তা ও প্রয়াসে যে গতি ও স্বচ্ছতা রয়েছে, তা এই প্রজন্মের রাহবার হয়ে উঠুক। এ দেশে বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার ক্ষেত্র তার হাত ধরে এগিয়ে যাক। এ-ই কামনা।