আমিরুজ্জামান ,
তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ক্যাডার সার্ভিস (সিএসপি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও চাকরি পায়নি। সরকারি চাকুরী না পাওয়ার ক্ষোভ ও হতাশায় শেষমেশ একটি উত্তাল নদীর তীরবর্তী স্কুলে শিক্ষকতা বেছে নেয়। এখানেও মন টেকেনি।
সাংসারিক অশান্তির জেরে পাঁচ বছরের পুত্র সন্তান নিয়ে সে অজানার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ১৯৭০ এর ১২ই নভেম্বরের রাতে ইতিহাসের ভয়াবহ ভোলা সাইক্লোনের তাণ্ডবে তাদের লঞ্চটি আক্রান্ত হয়। ভোলা সাইক্লোনে লঞ্চ দুর্ঘটনার পর আমিরুজ্জামান ও তার একমাত্র ছেলের ভাগ্যে কি ঘটে? সাইক্লোনের তান্ডবে উত্তাল নদী তীরের সেই গ্রামে ফেলে আসা স্ত্রী সহ পরিবারটির কি হাল হয়?
প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর সংবাদের মধ্য দিয়ে আমিরুজ্জামানের নিঃসঙ্গ জীবনে ভিন্ন এক ঘটনা ঘটে । অবশেষে এর সাড়ে চার বছর পর বৃটিশ রাজ পরিবারের পরম শ্রদ্ধেয় কুইন মাদারের মৃত্যুর শোক বার্তার মাধ্যমে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার মুখোমুখি হয় আমিরুজ্জামান। তার পুরো পরিবারটি।
কোন সে ঘটনা যার প্রেক্ষিতে সব মনস্তাত্ত্বিক সাইক্লোনের অবসান হয়, উদ্ভাসিত হয় সত্যিকারের কালপিয়াসী জোৎস্না!
উপন্যাসটি পড়ে অন্য এক ভুবনে বিচরণের পাশাপাশি সমাজ ও ইতিহাসের সত্যিকারের কিছু অজানা অধ্যায় জানার আমন্ত্রণ রইল।