ঔষধী গাছ গাছড়া ও ফলমুল চাষাবাদ ব্যবস্থাপনা
- এবিএম জওহর হোসাইন
অনেক অনেক কাল আগে থেকেই নিজেদের ছোটখাটো পরিসরে নানারকম ঔষধি গাছের চাষ করতেন চিকিৎসকেরা। আবিষ্কার করতেন চিরচেনা সব গাছের নানান চমত্কার ক্ষমতা। বর্তমানে ঔষধি গাছ নিয়ে কাজ করার সেই ঘরোয়া পরিবেশটা আর নেই। নাটোর শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের গ্রাম খোলাবাড়িয়া। গ্রামে প্রবেশ করতেই চোখে পড়বে সবুজের সমারোহ। রাস্তার দুই পাশের জমিতে শুধু গাছ আর গাছ। তবে যেন-তেন গাছ নয়। অনেক জটিল রোগ সারানোর ক্ষমতা নিয়ে জন্মায় এ সব গাছ। গাছের পরিচয়েই খোলাবাড়িয়ার গ্রামটিকে ডাকা হয় ‘ঔষধি গ্রাম’ নামে।আইয়ুব আলী নামে একজন চাষী জানান, বর্তমানে সিলেট কুমিল্লা ঢাকা চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু কিছু লোকজন এসে ঔষধি গাছ কিনে নিয়ে যান। তবে সেটার পরিমাণ বেশী নয়। এ কারনে স্থানীয় কিছু দরিদ্র লোকজন এ সমস্ত ঔষধি গাছগুলো নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফেরী করে বিক্রি করেন। যদি বড় কোন কোম্পানী এখান থেকে ভেষজ গাছগুলো সংগ্রহ করতেন তা হলে চাষীরা উপকৃত হতে পারতেন। তবে সম্প্রতি আমল পরিবর্তন হয়েছে অনেক খানী। স্থানীয়ভাবে আমিরগঞ্জ বাজারে ঔষধি গাছ প্রক্রিয়া জাত করে বিক্রি করা শুরু হয়েছে। এখানে গড়ে উঠেছে ৮/১০টি দোকান। সমস্ত দোকানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ঔষধি গাছ থেকে গুড়া বা ডাষ্ট তৈরী ও প্যাকেটজাত করে বিক্রি করা শুরু করেছেন। এতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঔষধি গুন সম্পন্ন পণ্য গুলো পাঠানো সহজ হচ্ছে। চাষীরা ও লাভের মুখ দেখতে পারছেন।