এস. এম. আমিনুল আরোফিনের লেখা ’সঠিক পদ্ধতিতে মাছ ও চিংড়ির চাষ’। দেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠির খাদ্য চাহিদা পূরণে শুধু প্রাকৃতিক উৎসের উপর নির্ভরশীল থাকা যুক্তিযুক্ত নয়। বিষয়টি উপলব্ধি করে বিগত কয়েক বছর যাবৎ বহুসংখ্যক মৎস্য চাষি মৎস্য চাষে মনোনিবেশ করেছেন। বইটিতে রয়েছে- মাছ ও চিংড়ি চাষের প্রয়োজনীয়তা, চাষযোগ্য মাছের পরিচিতি, পোনা মাছের প্রাপ্তিস্থান, পোনা সনাক্তকরণ, পুকুরের শ্রেণীবিভাগ, রেণু পোনা চাষের আঁতুড় পুকুর তৈরি ও ব্যবস্থাপনা, চারা পোনা চাষের চারা পুকুর তৈরি ও ব্যবস্থাপনা, মাছ চাষের মজুদ পুকুর তৈরি ও ব্যবস্থাপনা, কার্প জাতীয় মাছের মিশ্র চাষ, আফ্রিকান মাগুর মাছের চাষ, রাজপুঁটি মাছের চাষ, নাইলোটিকা মাছের চাষ,পাংগাস মাছের চাষ, গলদা চিংড়ির একক চাষ, কার্প ও গলদা চিংড়ির মিশ্র চাষ, ধানক্ষেতে মাছ বা গলদা চিংড়ির চাষ, বাগদা চিংড়ির একক চাষ, মাছ ও বাগদা চিংড়ির মিশ্র চাষ, পোনা মাছ চাষ, মিনি পুকুরে মাছ চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, সমন্বিত মাছ ও মুরগির চাষ, মাছ ও চিংড়ির চাষে কিছু সমস্যা ও প্রতিকার, মাছ ও চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার,মাছ ও চিংড়ির প্রক্রিয়াজাতকরণ। মাছ চাষের সাফল্য বহুলাংশে নির্ভর করে স্থান নির্বাচনের উপর। সেজন্য মাছ চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত-রাসায়নিক ও জৈবিক সুযোগ সুবিধা নির্বাচিত স্থানে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় আছে কি-না তা স্থান নির্বাচন/পুকুর খনন করার সময় যথাযথভাবে বিবেচনা করা দরকার। নির্বাচিত চাষ পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে স্থান/পুকুর নির্বাচনে বিবেচ্য বিষয়গুলো আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। তাছাড়া ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনার সুবিধার্তে পুকুরের আকার ও আয়তন কেমন হবে তা নির্ভর করে।