কবিতার শেষ লাইন মানে--প্রেমের শেষ পদচিহ্ন। তারুণ্যের কবি মো. জামাল হাসান খান মান্না এইভাবে প্রেমের চিহ্নায়ন এঁকে স্পর্শ করতে চান মানুষের হৃদয়। দেশপ্রেম আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আবেগী বুদ্বুদ নয় রাজনীতির শুদ্ধাচার ব্যর্থ অবকাঠামোর নতুন বিনির্মাণ চান কবি। তাই বারবার ঘুরেফিরে এ দুঃখবোধের বয়ান লিখে যান পঙ্ক্তির পর পঙ্ক্তি।--মানবরূপী দানবের অত্যাচারে নিরীহ মানুষ নিঃস্ব সমাজে--কে করিবে দমন। এই আক্ষেপ হতাশা সুদূর প্রবাস থেকে উপলব্ধি করে তিনি লিখেছেন--মুক্তিযোদ্ধার মা। যাঁর অশ্রুফোঁটা কান্না কবিতা হয়ে মিশে যায় হৃদয়ের রক্ত-মৃত্তিকায়।
মুক্তিযোদ্ধার মা দুঃশাসনের গল্প নয় সময় -দুঃসময়ের কাব্যিক কথকতা।