9 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 140TK. 89 You Save TK. 51 (36%)
আব্দুল্লাহ শাহীন বিদেশী সেবা দানকারী সংস্থার হয়ে রোহিঙ্গা শিবিরে যাবে। কাজ করবে তাদের নিয়ে। এর আগে তাদের সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা প্রয়োজন। বিছানায় শুয়ে সে গুগলে সার্চ দিয়ে 'আর
এই বইটি,র সম্পের্ক আমি একটি কথাই বলো,সবার এ-ই বইটি পড়া উচিৎ,,
Was this review helpful to you?
By সাদাত হাসান, Oct 23, 2023
আমার পড়া মোষ্ট ডিজগাস্টিং বইয়ের মধ্যে অন্যতম একটির রিভিউ:-
লেখক আকিদুল ইসলাম সাদীর রোহিঙ্গা কণ্যা বইটিকে বিশুদ্ধ সমাজ নির্মাণের অসামান্য লিপিচিত্র দাবী করা হলেও এখানে সমাজ বিনির্মানের সামান্য উপাদান পাওয়া না গেলেও, আপনি শিখতে পারবেন কিভাবে একটা মেয়েকে পছন্দ হলে তাকে লুকিয়ে বিয়ে করে মাকে রাজি করাতে হয় তার দুর্দান্ত আইডিয়া।
উপন্যাসের প্লট:- রোহিঙ্গাদের উপর অন্যায় ভাবে নির্যাতনের পটভুমিতে লিখিত হয়েছে এই উপন্যাস। এখানে একজন বাংলাদেশী যুবকের সাথে আরাকান মুসলিম যুবতী, যে কিনা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তার সাথে পরিচয়। পরিচয়ের পর ভালোলাগা ও এরপর পালিয়ে বিয়ে করা। বিয়ের পর মায়ের কাছে আসা, মাকে বলবে " ওমা ওরে বিয়া করছি, ওতি আরাকানের। ওকে মাইনা নেও। মাফ কইরা দেও আমাগোরে"। মা মাইনা নিবো, এরপর কাহিনী শ্যাষ।
উপন্যাসের শুরুতে আরাকানের সংক্্ষীপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে যা কিনা ২০১৮ সালের দিকে ফেজবুকে ভাইরাল পোষ্ট ছিলো। এরপর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সামান্য কথা।
পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় রেহেনা বেগমের সাথে। যে কিনা একজন ধার্মিক মুসলিম নারী, একজন মায়াবতী কোমলমতি মা।
তার ছেলেই এই গল্পের নায়ক আব্দুল্লাহ শাহিন। সেবামূলক কাজ করতে গিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটা মেয়ের প্রতি তার সহানুভূতি জাগে। এটাও ফেজবুকের একটা ভাইরাল পোষ্ট ছিলো এমন "আরাকানের অসহায় মেয়েদেরকে মুসলিম যুবকরা বিয়ের মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করতে পারে"।
গল্পের নায়ক এই ফিলোসোফিকে ধারণ করে। গল্পের নায়িকা রেহেনাকে বিয়ে করে। একে অপরকে স্পষ্ট ভাবে ভাষা শেখায়। বিয়ে তো হলো, এবার?
এবার মাকে রাজি করাতে, নিজের ভালোবাসার মানুষের সামনেই মায়ের পা ধরে বলছে " মা!আমার ভুল হইছে মাফ করে দাও। তুমি জেনে আশ্চর্য হবা যে, আমি ওর প্রতি দয়া করছি। ও রোহিঙ্গা থেকে নির্বাসিত নারী"
মানে ভাই, একটা মেয়ে যখন জানতে পারে তার স্বামী তাকে ভালোবেসে নয়, বরং দয়া করে তাকে আশ্রয় দিতে বিয়ে করেছে, তখন ওই নারী যে ভেতর থেইকা মইরা যায় এইটা জানেই না যেন লেখকে!
বইটা পড়ে সমাজ পরিবর্তনের সামান্য উপাদানও পাবেন না, কেমনে এইটা আবার ইসলামী জাগরণ মূলক বই ওয় ওইডাই বুঝিনা!
বইটি পড়ে আপনি শিখতে পারবেন কিভাবে পছন্দের মেয়েকে না পালিয়ে বিয়ে করে মাকে মানাতে হয় সেটা। এর বাইরে কচু শেখা যাবে ইনশাআল্লাহ। পইড়েন আপনেরা এই ৮৮ পৃষ্ঠার বইটা।
(বইটাকে আমার পড়া মোষ্ট ডিজগাস্টিং বইয়ের তালিকায় সংযুক্ত করা হইলো। আমিন।)
বইয়ের নাম: রোহিঙ্গা কণ্যা
লেখক:- আকিদুল ইসলাম সাদী
প্রকাশনী:- মাহফিল/দিলরুবা/সুবাহসাদিক
পৃষ্ঠা:- ৮৮ ; মুল্য:- ১৫০ টাকা