মিলন রায়ের লেখা ‘সবজি সংরক্ষণ পদ্ধতি’।সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে ক্রমেই খাদ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। কৃষির বিকাশ থেকে শিল্প বিপ্ল্ব পর্যন্ত খাদ্য সংরক্ষনের নানান প্রক্রিয়া বিকাশ লাভ করতে থাকে। প্রধানত ২ উপায়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়ঃ প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে খাদ্য সংরক্ষণের নানান প্রক্রিয়া আছে। এসব পদ্ধতিতে খাদ্য সংরক্ষণ করলে তা স্বাস্থ্যের উপরে কোনপ্রকার বিরূপ প্রভাব ফেলে না। কৃত্রিম উপায়ে খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যেসব রাসায়নিক পদার্থগুলোকে সীমিত মাত্রায় ব্যবহার ক্রতে হয়। প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উপায়ে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য যথাক্রমে প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস ও কৃত্রিম প্রিজারভেটিভস ব্যবহৃত হয়।পরিষ্কার জলে সবজিগুলি ভালো করে ধুয়ে নিন। গায়ের দাগ বা পচা অংশগুলি বাদ দিন।সবজিগুলি কেটে ফেলুন। সবচেয়ে ভালো হয় স্টেইনলেস স্টিলের ছুরি দিয়ে কাটতে পারলে।২২.৫ গ্রাম নুন (সোডিয়াম ক্লোরাইড) প্রতি কেজি কাটা সবজিতে দিন। তিন থেকে পাঁচ মিনিট ধরে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটিকে প্লাস্টিক, মাটি বা কাঠের বালতিতে রাখুন। (মাটির বা কাঠের পাত্র হলে তার গায়ে মোমের লাইনিং থাকা দরকার)। সবজি-মিশ্রণটিকে হাত দিয়ে ভালো করে মাখুন যাতে নুনজল সবজির উপরে উঠে আসতে পারে। পাত্রটিকে ২০০ গেজের প্লাস্টিক চাদর দিয়ে একেবারে নীচ পর্যন্ত ভালো করে ঢাকুন যাতে সবজির সঙ্গে বাতাসের কোনও সংযোগ না থাকে।এ বার প্লাস্টিক চাদরের জল ঢালুন যাতে সবজির উপর সঠিকমাত্রায় চাপ সুনিশ্চিত করা যায়। তবে জল ঢালতে গিয়ে তা যেন কোনওমতেই সবজির সঙ্গে মিশে না যায়। বালতিটির গলা দড়ি দিয়ে ভালো করে বাঁধুন যাতে বায়ু কোনও ভাবেই ঢুকতে না পারে।