১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
বইটি বিদেশি প্রকাশনী বা সাপ্লাইয়ারের নিকট থেকে সংগ্রহ করে আনতে আমাদের ৩০ থেকে ৪০ কর্মদিবস সময় লেগে যেতে পারে।
"পুজোয় ‘দুগগাবিডি’ আসবেন বরিশালের রুনসী নদীর তীরবর্তী এক প্রত্যন্ত গ্রাম, কীর্তিপাশায়। সেখানে পুজোর প্রসাদ রাঁধবেন খলিল ‘ঠাহুর’। উজাগরী রাত্রে ছোমেদ মেঞা শোনাবেন সারি গান। বাঙালির ইতিহাসে যাঁর দেশভাগের আখ্যান যুগান্তকারী, মর্মভেদী ও সবথেকে সত্যনিষ্ঠ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সেই মিহির সেনগুপ্ত-র কলমে ‘সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম’। লেখকের নিজের জবানি থেকেই উদ্ধৃত করা যাকঃ ""সব মানুষেরই থাকে এক সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম। সে মোকামের ঠিকানা একেকজনের একেক রকম। কেউ বা প্রযত্নে থাকে মঠ-মন্দির-মসজিদ-গির্জার, কেউ বা আবার গগনচুম্বি অট্টালিকার, সাতমহলা বাড়ির, ধন-ঐশ্বর্যের চোখধাধানো সমারোহের। আমার সিদ্ধিগঞ্জের মোকামখানা রয়েছে আমার হৃদয়েশ্বরী জলেশ্বরীর কোলের মধ্যে। সেখানে ভূপ্রকৃতির ইতিহাস নবীন কিন্তু মানুষ প্রাচীন। সে এখনও আধুনিকতার ধরতাই-এ হাটি হাটি পা পা। তার কথার লব্জে, চলার ছন্দে সামন্ত-পরম্পরার শ্লথ ভাবটি এখনও প্রবল। তথাপি হৃদয়বৃত্তের অলখ বলয়ের সাতরঙের হাতছানিতে সে আমাকে পৌছোয় যে স্থানে, সেই আমার মোকাম-আমার সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম। সেই মোকামের সওদাগর আমি। ফকিরসাব, মোকছেদ, কার্তিক এবং সর্বশেষ, হ্যা—আমার শেকড়ের শেকড়, পিতৃকল্পপুরুষ ছোমেদ, আমার মহাজন। প্রত্যেক পরম্পরায়ই একজন বীজপুরুষ থাকে। তাকে ঘিরে থাকে তার পুষিপোনা-শিষ্যশাবকেরা। এখানে এই রচনায় উপস্থিত যে-সব মানুষ, তারা সবাই ফকিরসাব, মোকছেদ, কার্তিক এবং ছোমেদের শিষ্যশাবক, পুষিপোনা। এরা কেউই কথাকারের সৃষ্ট একান্ত কাল্পনিক চরিত্র নয়। আমি এমত বলতে বা শপথ করতে পারব না যে, “এই উপন্যাসের পাত্রপাত্রীরা সবাই সম্পূর্ণ কাল্পনিক চরিত্র, যদি কোনও বাস্তব ঘটনা বা চরিত্রের সঙ্গে এর কোনও মিল পাওয়া যায়, তা নিতান্ত আকস্মিক” । না, এ-রকম বলার কোনও উপায় আমার নেই। কেননা এরা সবাই বাস্তব চরিত্র সবাই জীবিত, এমনকী এইসব নামেই। লেখাও হল তাদের কথ্যপাঠ অনুসারেই। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯২ সাল, এই ছ'-বছরে একবার করে হলেও শারদীয় উৎসবের সময় আমার এই উজানযাত্রা ঘটেছে।"" পাঠক আসুন, সঙ্গী হোন এই উজানযাত্রার।"