15 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 140TK. 120 You Save TK. 20 (14%)
বাংলাদেশের কৃষির নিয়ে লিখতে গিয়ে মনে পড়ছে বেশ কয়েকবছর আগের এক শীতের পড়ন্ত বিকেলের কথা। দিনাজপুরের তেভাগা আন্দোলনের
কথা অনেক আগেই জানতাম। একদিন জানলাম বিখ্যাত সেই কৃষক আন্দোলনের কয়ে
শাইখ সিরাজের লেখা ”বাংলাদেশ কৃষি প্রেক্ষাপট: ২০০৮”।কোন কাজটা এখন জরুরী? এমন প্রশ্নের জবাবে নানা জনে নানান কথা বলছেন, বলেন। যা মানুষের বয়স, পেশা, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাস, লোভ, হতাশা কিংবা উচ্চাভিলাষ পূরণের লক্ষ্যেও জরুরী নির্ধারণ হয়ে থাকতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে আছে নিজের মত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নিজেকে বড় করে দেখানোর একটা প্রচ্ছন্ন কিন্তু প্রাণান্ত চেষ্টা। আমি নিজেও হয়তো এর বাইরে না। শিশু বা গ্রামের সরলমতি শিশু মানসিকতার মানুষগুলোর কথা কিন্তু আলাদা।আমাদের দেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ খুব কম। তার উপর প্রতিবছর শতকরা ১% হারে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে নানা কারণে। তাই উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই আমাদের। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিষয়টি অবগত হয়েছে, তিনি পুরোপুরি কনভিন্সডও হয়েছেন। তাই শিল্প মন্ত্রণালয়ে অধীন ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি অরগানাইজেশন (এনপিও) বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। যদিও তাদের কাজের ফল খুব কমই দৃশ্যমান।এখনো সম্ভাবনাময় কৃষি নির্ভর এই বাংলাদেশ সরকারের শক্তিশালী কৃষিতথ্য দপ্তরে অনেক তথ্য সরবরাহের কৌশল রয়েছে। তবু কৃষিবিজ্ঞানী না হয়েও শাইখ সিরাজ দক্ষ কৃষিবিজ্ঞানীর মত শুধু কৃষিবিষয়ক তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদশের কৃষি উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছেন। উনি কৃষির নানা সমস্যা আর সম্ভাবনা চিহ্নিত করে গবেষণা আর সম্প্রসারণের মাঝের বিদ্যমান দূরত্ব কমাতে গিয়ে উন্নয়ন সাংবাদিকতার উজ্জ্বল উদাহরন হয়েছেন। যা এখন অনেকেই অনুসরণ করছেন। আমাদের দেশের সীমিত জমিতে ফসলের অধিক ফলন আনতে দরকার উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, আর দরকার নতুন প্রযুক্তি আর কৌশল প্রয়োগের ব্যাপক প্রচার।সব চেয়ে কম বয়সে একুশে পদকসহ নানা পুরস্কারের ভূষিত শাইখ সিরাজ এর মত মাত্র ১০ জন মানুষ দরকার আমাদের দেশের সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি, বলে আমার মনে হয়েছে। যারা প্রচার বিমুখ কৃষিবিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কারের তথ্য আদান-প্রদানে সহায়তা করে আমাদের প্রিয় দেশটার কৃষিতে আনবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।