এই বইয়ে মধ্যযুগে ভারত এবং বাংলায় পাঠানদের শাসন ও বসতি স্থাপনের ইতিহাস আছে।বাংলায় পাঠানদের ইতিহাস প্রায় ছয়শত বছরের পুরনো।মধ্যযুগের বাংলার সুলতানি আমল মুঘল আমল নবাবী আমল ইংরেজ আমলে অনেক পাঠান বাংলায় বসতি স্থাপন করিয়াছিলো।তাহারা সৈনিক বণিক কিংবা ভাগ্যন্বষী হিসেবে বাংলায় এসেছিলো।তারা বাংলার শাসনকার্য সমাজ সংস্কৃতি ভাষার অনেক উন্নতি সাধন করিয়াছিল।তারা বাংলায় এসে বঙ্গদেশকে ভালোবাসিয়া এখানকার প্রকৃতির রুপে গুণে মুগ্ধ হইয়া এখানেই স্থায়ীরুপে বসবাস করা শুরু করিয়া দিয়াছিল।তারা বাংলায় কথা বলতো এবং বাংলায় মিশে গিয়েছিল।মধ্যযুগে বাংলার অনেক জায়গায় পাঠান বসবাস করত।তারা আজ বাংলাদেশে মিশে গেছে।বাংলাদেশের অনেক সামাজিক সংস্কারে পাঠান মোছলমানদের অবদান আছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও অনেক পাঠান বংশোদ্ভুত বাঙালি অংশগ্রহণ করিয়াছিল।বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়েছিলো অনেকেই।বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতেও প্রতিবাদ করিয়াছিল গ্রামপর্যায়ে।বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের অনেক বিখ্যাত ব্যাক্তি পাঠান বংশধর। এই তিন দেশের প্রত্যেকটির বিশ্বে বিভিন্ন রেকিগনেশন, পরিচিতি ও সুনাম অর্জনে পাঠানদের অবদান আছে। বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানের অনেক কবি সাহিত্যক শিক্ষাবিদ রাজনীতিবিদ বুদ্ধিজীবি চলচ্চিত্র তারকা সমাজসংস্কারক পাঠান বংশোদ্ভুত।পাঠানরা সাহসী ও লড়াকু জাতি। পাঠানরা পাঞ্জাবীদের তুলনায় অনেক ভালো।পাঠানরা পাকিস্তানি পাঞ্জাবী মোছলমানদের মত এত মুনাফিকি চরিত্রের না।তারা পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার।সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানিদের সৃষ্টি কিন্তু এর বিরুপ প্রভাব পরিতেছে পাঠানদের উপর,ধীরে ধীরে তারা নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।পাঞ্জাবীরা কোনদিন পাঠান হতে পারবেনা এই হতাশায় ও ক্রোধে তারা এরকম মুনাফিকি কাজ করতেছে। পাকিস্তানি পাঞ্জাবিদের মদদপুষ্ট তালিবান আসার আগে পাঠানরা ছিলো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় মোছলেম জাতি ও আফগানিস্তান ছিলো সবচেয়ে সম্ভাবনাময় মোছলেম দেশ।আজকাল আফগানিস্তান পাকিস্তানের বসবাসরত পাঠানরা পাঞ্জাবীদের জোড় জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করিয়াছে।