9 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 200TK. 179 You Save TK. 21 (11%)
আমরা মুখে যাই বলি না কেন প্রকৃতি এই পৃথিবীতে নিজেই বিভাজন তৈরি করে দিয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিভাজনে মানুষ হলো সৃষ্টির সেরা জীব। বাকি সকল জীব- জন মানুষের অনেক নিচে। পৃথিবীর তাবত জন্তু জ
খুবই খারাপ আর নিম্নমানের লেখা। এক বই অন্য বইয়ের সম্পূর্ণ কপি পেস্ট করা। নাসরিন সুলতানা জলি, হারুন জাহাঙ্গীর, রোমানা ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন। ইনারা একে অন্য থেকে পুরোপুরি কপি-পেস্ট করেছেন। খুবই গর্হিত এবং অন্যায়তম কাজ। এর থেকে খারাপ বই আমি পড়িনি।
Was this review helpful to you?
By Ratna Biswas, Jun 27, 2017
আবদুল্লাহ আল মামুনের লেখা ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু ছাগল ভেড়া মহিষ পালন ও চিকিৎসা’। আমাদের দেশে আমিষজাতীয় খাদ্যের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। মাথাপিছু প্রতিদিন গোশতের প্রয়োজন ১২০ গ্রাম। সেই হিসাবে বার্ষিক প্রয়োজন প্রায় ৬.০ মি:মে: টন। আমাদের উৎপাদন মাত্র ০.৬-০.৭ মি:মে: টন। ক্ষুদ্র ও বৃহত্তর উভয় পরিসরে গরু মোটাতাজাকরণ কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে একদিকে যেমন আমাদের আমিষের যোগান বাড়ানো সম্ভব, তেমনি নতুন কর্মসংস্খান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা যায়। দেশের শিক্ষিত, অশিক্ষিত বেকার যুবক, ভূমিহীন চাষি, প্রান্তিক চাষি গরু মোটাতাজাকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। মহিষ সাধারণত ছায়ায় থাকতে পছন্দ করে। সুতরাং পারিবারিকভাবে অল্পসংখ্যক মহিষ পালনের ক্ষেত্রে অতি ঠান্ডা ও গরমের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ছাউনি তৈরি করা যেতে পারে। এ ছাউনি গাছের নিচে বা ছায়াযুক্ত স্থানে নির্মাণ করাই উত্তম। ছাউনি তৈরির উপকরণ হিসেবে বিভিন্ন অঞ্চলে সহজপ্রাপ্য উপকরণ যেমন- ছন, নারিকেল গাছের পাতা, পাটের সোলা ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়। মহিষের সংখ্যা বেশি হলে খামারে আধাপাকা ঘর তৈরি করা যেতে পারে। সঙ্গে ঘরের মেঝেটাও পাকা করা ভালো। প্রতিটি ঘরে ড্রেন বা নালা থাকতে হবে এবং ড্রেনগুলো সরিয়ে নেওয়া যায় এমন স্লাব তৈরি করে ঢেকে দিতে হবে। ড্রেনগুলো অগভীর হবে। ঘরের ছাদ টিন, বাঁশ, করোগেটেড সিট অথবা ইট দিয়ে তৈরি করা যেতে পারে। উদম অনাচ্ছাদিত জায়গায় ছায়াদানকারী গাছ লাগানো যেতে পারে, যা পশুকে শীতকালে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস এবং গরমকালে সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা করবে। গাভীর ঘরের এক পাশে খাবার ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে।