তিন গোয়েন্দা, গোয়েন্দা রাজু, অয়ন জিমি কিংবা হরর ক্লাবের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। তাই এবার পরিচিত হওয়ার পালা নতুন যুগের দুজন নতুন গোয়েন্দার সাথে। রেজা এবং সুজা দুই ভাই। বাংলাদেশী হলেও আমেরিকাতে থাকে। হাইস্কুলে পড়াশোনা করার সময় থেকেই দুজন শখের গোয়েন্দা। অ্যাডভেঞ্চার আর রহস্য পেলে যেন সব ভূলে যায়।
বেশ কিছু রহস্যের সমাধান করার পর দুভাই এসেছে নিউ মেস্কিকোতে। শুরু হলো এক রোমাঞ্চকর যাত্রা ..
রেজার বাবার বন্ধু কারসনের প্রায় ৫০ হাজার একর জমি আছে। সঙ্গে আছে অসখ্য গরু আর ঘোড়া। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে প্রায় প্রতিদিনই বেশ কিছু গরু মারা যাচ্ছে। ঘোড়া বাসায় ফিরছে কিন্তু খোড়া অবস্থায়। তারওপর এসব দেখাশোনার জন্য কর্মচারী পল যেকিনা ৩০ বছর ধরে কাজ করছে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
মূলত এসব বিষয় সমাধান করার জন্যই দুই ভাইয়ের সফর। কিন্তু তারা জানতো না সামনে কত বড় বিপদ অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। প্রথমেই খুব অবাক হয় এক বুড়োকে দেখে যে কিনা হঠাৎ আবির্ভাব হয় আর হঠাৎই কোথায় যেন হারিয়ে যায়। তবে বুড়ো বিষয়ে চিন্তা করার সময় নেই প্রথমেই পল কে খুজে বের করতে হবে। আর সে জন্য থাকতে হবে বাস্তুভিটায়। বাস্তুভিটায় থাকার সিন্ধান্ত কত বড় ভূল ছিল সেটা বুঝলো একটা ডিনামাইট আবিষ্কারের পর। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গেছে..."
এখানে আসার পর থেকেই যতসব বিপদের মুখোমুখি হয়েও যে রহস্য সামনে এসেছে তার সমাধান না করা পর্যন্ত পিছু হটবে না দুভাই। প্রধান চরিত্রে জুলি নামে একটা মেয়েকে নিয়ে আসলেও রিউতে তাকে নিয়ে আসলাম না।কিছু বিষয় রহস্যময় থাকাই ভালো।
কিশোর ক্যাটেগরি আমার ভীষন পছন্দের। আর সেটা যদি হয় গোয়েন্দা তাহলে তো কোন কথাই নাই। আমার সত্যিই ভালো লেগেছে।রকিব হাসান আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় আছেন শুধুমাত্র তার কিশোর উপন্যাস গুলোর জন্য। কিন্তু নতুন এই সিরিজ যদি তিনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ব্যবহার করে লিখতেন তাহলে বেশ হতো। বিদেশর নাম গুলো কাটখোট্টা টাইপ, পড়তে গেলে মনে হয় অনুবাদ পড়ছি। যাইহোক আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে।