বয়সের ব্যবধান সত্বেও নাভিদ এবং জয়ের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে প্রতিদিন একইসাথে স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে। নাভিদের কাছেই জয় শিখতে পারে কিভাবে বদ অভ্যাস ত্যাগ করা যায়। এক সময় নাভিদ অন্য স্কু
‘নেইল কাটার’ কিশোর উপন্যাসটির লেখক শামীমা শাহীন । তিনি ৬ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহন করেন । পিতার চাকরির জন্য তার শৈশব কেটেছে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে । তিন রাষ্ট্রবিজ্ঞান এ স্নাতকোত্তর করেছেন বরিশালের বি এম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে । তিনি পেশায় একজন প্রকাশক । তার লেখা এই পর্যন্ত এগারো টি উপন্যাস ও এছাড়াও দুইটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি তার লেখা উপন্যাস আমার পরিচয় বাংলাদেশ অবলম্বনে নাটক তৈরী হয়েছে , যা তার নতুন পরিচয় দেয় । তিনি একজন ভালো পাঠক , সবসময় পড়াশোনার মধ্যেই থাকেন । তিন তার সাহিত্য কর্মের জন্য ২০১৩ সালে অতীশ দীপঙ্কর স্বর্নপদক ও ২০১৪ সালে নবাব সিরাজ উদ্দৌলা স্বর্নপদক সহ আরো অনেক পুরষ্কার পেয়েছেন । তার লেখা নেইল কাটার বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় চন্দ্রদ্বীপ প্রকাশনী থেকে এবং এর প্রকাশক শামীমা শাহীন । প্রচ্ছদ করেছেন মোমিন উদ্দীন খালেদ । ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ এর অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র নাভিদ ও তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র জয় । তাদের বাসা কাছাকাছি হওয়ায় তারা একসাথে বাসায় যায় । বয়সের ব্যবধান অনেক হলেও তাদের মধ্যে হয়ে যায় গভীর বন্ধুত্ব । নাভিদের কাছেই জয় শিখতে পারে কিভাবে নিজেকে বদল করতে হয় । কিন্তু প্রয়োজন এর জন্য নাভিদ কে স্কুল ছেড়ে চলে যেতে হয় অন্য স্থানে ,এতে প্রচন্ড মন খারাপ হয় জয়ের । ওদের মাঝে কোন যোগাযোগ না থাকলেও মনের টান ঠিকই থেকে যায় ওদের মাঝে । এই মনের টানের জন্যই দেখা হয় ওদের মধ্যে । ওদের নিয়েই লেখা উপন্যাসটি যা সকল কিশোর পাঠকের নিকট অনেক ভালো লাগবে তা আশা করা যায় ।