আলী ইমামের লেখা ‘প্রশ্ন ও উত্তরসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিচিত্র তথ্য’ বইটিতে বিজ্ঞানের মজার মজার কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে এবং উত্তর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- জ্যোতির্বিদ্যা, জীবজগৎ, পদার্থবিদ্যা ও রসায়নবিদ্যা সম্পর্কীয়, জানা-অজানা চেনা-অচেনা, কম্পিউটার বিজ্ঞান, দেশ, জাতি ও ভাষা, বিশ্বে যা কিছু সেরা, বিশ্বে যা কিছু সর্ব প্রথম। কিছু প্রশ্ন উত্তর দেখে নেওয়া যাক-
- তারামণ্ডল কাকে বলে?
বিভিন্ন তারাদের পর্যালোচনার সুবিধার জন্য জ্যোতির্বিদরা সমগ্র আকাশ ৮৮ ভাগে ভাগ করেছেন ৷ এই ভাগগুলিই হল বিভিন্ন তারামণ্ডল ৷ কোন একটা জ্যোতিস্কের অবস্থান জানতে হলে প্রথমেই জানা দরকার ওটি কোন তারামণ্ডলে আছে, এই তারামণ্ডলগুলোর বিশেষ চেহারা থেকে এদের চেনা যায় যেমন সপ্তর্ষিমণ্ডল বা কালপুরুষ ইত্যাদি ৷
- চোখে দেখে তারা আর গ্রহ কিভাবে চেনা যায়?
গ্রহরা স্থির আলো দেয়৷ তারাদের মনে হয় সবসময়ই চমকাচ্ছে অথবা দপদপ করছে ৷ সাধারণ দূরবীণ দিয়ে দেখলেও একই রকম মনে হয়। এর থেকেই গ্রহ আর তারাদের চেনা যায় ৷
- তারাদের শক্তির উৎস কি?
তারাদের শক্তির মূল উৎস হল পরমাণু কেন্দ্রীন বিক্রিয়া তারাদের কেন্দ্রস্থলে হাইড্রোজেন গ্যাসের দুটি অইিস্যেটোপ, ডয়টেরিয়াম এবং ট্রইিটিয়ামের মধ্যে নিঊক্লিয় বিক্রিয়ার ফলে তৈরি হয় হিলিয়াম এবং প্রচণ্ড শক্তি ৷
- কৃত্রিম উপগ্রহেরা পৃথিবীর কক্ষে থাকে কিভাবে?
কৃত্রিম উপগ্রহেরা নির্দিষ্ট কক্ষপথে থাকে তখনই যখন তাদের আবর্তনের ফলস্বরূপ কেদ্রাতিগ বল তাদের উপর মধ্যাকর্ষণ বল ততই কমবে ফলে তার আবর্তনের বেগও কম হবে৷ প্রায় ২২,০০০ মাইল দূরের উপ্গ্রোহ ২৪ ঘণ্টার পৃথিবীকে এক পাক দেবে, অর্থাৎ পৃথিবীর পরিপ্রেক্ষিতে এর কোনো গতি থাকবে না৷ এই ‘ভুসমলয়’ উপগ্রহের সাহায্যে উপগ্রহ মারফৎ যোগাযোগ, বেতার ইত্যাদি সম্ভব হচ্ছে।