56 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 500TK. 430 You Save TK. 70 (14%)
"ইরানের পথে-প্রান্তরে" বইটির লেখকের কথা থেকে নেয়াঃ
পরম করুণাময়ের অশেষ রহমতে বিশাল প্রত্যাশার ক্ষুদ্র ফসল এই 'ইরানের পথে-প্রান্তরে' বইটি। এটি পাঠকদের ইরান সম্পর্ক
লেখক মো: মুমিত আল রশিদ শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার নসাশন ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মরহুম এফ এম আবুল কাশেম আর মা জাহানারা বেগম। ২০০২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফারসী ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স এ প্রথম শ্রেনীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। ২০০৩ সালে এম.এ. পরীক্ষায় একই বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণ পদকে ভূষিত হন। ২০০৭ সালে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে সকল প্রতিযোগীর চাইতে সর্বাধিক নাম্বার বেশী নিয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে একই বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। প্রভাষক থাকাকালীন লেখক বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হন। ২০১০ সালের ১৬ই এপ্রিল বাংলাদেশে ইভটিজিং বিরোধী আন্দলোন শুরু হয় তার হাত ধরেই। মো: মুমিত আল রশিদের 'ইরানের পথে প্রান্তরে' এই বইটি ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাকলী প্রকাশনী থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই বইটি মূলত: ইরানের প্রতি কৌতুহল থেকে লেখা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইরান পরিচিতি পড়াতে গিয়ে লেখকের মন চলে যেত ইরানের পথে-প্রান্তরে। সেই কৌতুহল মেটাতেই ছুটে গিয়েছেন সুদূর ইরানে। এখনও চষে বেড়ান ইরানের অলি-গলি। ইরান ও তার গৌরব গাথা ইতিহাসের প্রতি মানুষের যে ব্যাপক কৌতুহল সেটা দূর করতেই সামান্য প্রয়াস লেখকের এই বইটি। ২০১৩ এর সেপ্টেম্বর এ ইরানে যান তিনি, এখনও তার জানা শেষ হয়নি। বইটি লেখার পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আলো বন্ধু সভার প্রাক্তন সভাপতি শাহিন আলমের অনুপ্রেরণা ছিল অন্যতম। বইটিতে লেখক নিজ চোখে দেখা বিষয় গুলো এবং ফারসি বই থেকে সংগৃহীত বিষয় গুলো লিখেছেন। বইটিতে লেখক ইরানের সভ্যতা, সংস্কৃতি, ইসলামপূর্ব শাসনামল, ইরানের পথে-প্রান্তরে, ইরানের রাজত্বকাল, বর্তমান সাংবিধানিক অবস্থা, লোকজনের শিষ্ঠাচার, ঐতিহ্যবাহী খাবার, উতসব, ধর্মীয় অনুশাসন সহ আরোও অনেক বিষয় স্থান পেয়েছে। লেখক মনে করেন বইটি পাঠকদের একটু হলেও ইরান সম্পর্কে জানার তৃষ্ণা মেটাবে।