সমাজতন্ত্রের বাইবেল বলা হয় ডাস ক্যাপিটাল বা পুজি গ্রন্থটিকে। বিনিময়, উৎপাদন, মূল্য, শ্রম, শ্রমের সামর্থ্য বা ক্ষমতা, শ্রমবিভাগ, বিযুক্তি, সম্পত্তি, মুনাফা প্রতিটি ধারণাকেই মার্ক্স উল্যেখ করেছেন তার এই বই এ। তিনিই প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন কিভাবে ইতিহাস অর্থনীতির দ্বারা পরিচালিত হয়। এবং প্রত্যেক্টি ইতিহাসের পেছনে রয়েছে শ্রমজীবী মানুষদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক। ডাস কাপিটালের প্রথম খন্ডে মার্ক্স পুঁজিবাদী সমাজে উৎপাদন প্রণালীর বিশ্লেষণ করেছেন। ধনতান্ত্রিক সমাজে বাজারে পণ্যদ্রব্যের দুটি বৈশিষ্ঠ পাওয়া যায়। একটিতে তার ব্যবহারিক মুল্য প্রকাশ পায়, অপরটিতে বিনিময় মুল্য।
যে গ্রন্থটি লিখা না হলে হয়তো সমাজ তন্ত্রের সাথে আমরা পরিচিত হতাম না সেই গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ পাওয়া সত্যিই আনন্দজনক