4 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 175TK. 140 You Save TK. 35 (20%)
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
বাসা থেকে বের হয়েই কাঁদতে থাকে রাতুল। কারণ মারাত্নক একটা অসুখ আছে তার-দু-তিন ঘন্টা পর পর সব কিছু ভুলে যায় সে। রাস্তায় তার সঙ্গে দেখা হয়ে যায় সায়ন্তের স
বই- রাতুল দ্যা গ্রেট
লেখক- সুমন্ত আসলাম
আমারা কি ২/৩ ঘন্টা পর পর সব কিছু ভূলে যাওয়া রোগের নাম শুনেছি? মনে করেন, কলেজ থেকে বের হতে হতে বাসার ঠিকনা ভূলে গেছেন। কি করবেন তখন?
তেমনি রাতুলের ভূলে যাওয়ার মতো মারাত্নক রোগ রয়েছে। রাতুল বাসা থেকে বের হয়ে ঠিকানা ভূলে যায় আর রাস্তায় কাঁদতে থাকে। ঠিক তখনি দেখা হয় সায়ন্তের সাথে, সায়ন্ত ছেলের বয়সী রাতুলকে একা রেখে যেতে পারে না। রাতুলের কথা মতো বাসা খুঁজতে চিড়িয়াখানায় যান,শিশুপার্কে যান, যাদুঘরে যান কিন্তু কোথাও বাসা খুঁজে পাওয়া যায় না। এইদিক রাতুল হোটেল বেশ খাওয়া দাওয়া করেছে, আবার মারামারি করে কপাল ফাটিয়ে ফেলেছে।
এইদিকে মিমনির বাবা সাদাত একটা বিপদে পড়ে যায়। রাস্তায় একজন মৃত মানুষ পেয়ে থানায় নিয়ে যান। কিন্তু মিমনি এসবের কিছুই বুঝতে চায় না, সে আছে অংক নিয়ে, জঠিল জঠিল সব অংক। কারণ সে গণিত অলিম্পিয়াডে যোগ দেবে।
আবার টুনিকে করে একটা ক্যাবে যাচ্ছেন মিথিলা, টুনির বাবার যেন কি হয়েছে কিন্তু টুনি একের পর এক প্রশ্ন করছে। মিথিলার ছেলে স্কুল থেকে ফিরে অপেক্ষা করতে করতে দুষ্টমিতে শেষ করে দিনটা।
কিন্তু অবশেষে জানা যায় আসল রহস্য! অদ্ভুত মজার রহস্য, ভীষণ আনন্দেরও। রাতুলের ভূলে যাওয়ার কোনো রোগ ছিল না, সে বের হয়ে ছিল ভালো মানুষ খুঁজার জন্য কেননা তার স্যার বলেছিল পৃথিবীতে ভালো মানুষের অভাব। সেই দিক থেকে রাতুল বেশ সফল, সে একজন ভালো মানুষকে খুঁজে বের হয়েছিল পেয়ে গেছে দুইজন সায়ন্ত আর সাদাতকে।
রাতুল দ্যা গ্রেট বইটির শ্রেষ্ট লাইন-" আমি একটা যাদুঘর বানাবো, সব ভালো মানুষের ছবি থাকবে সেই যাদুঘরে। প্রথম দুটো ছবি থাকবে সায়ন্ত আংকেণ আর সাদাত আংকেলের। "😍
আসলেই পৃথিবা'তে ভালো মানুষের বড়ই অভাব। যারা ভালো মানুষ তাদের ছবি যাদুঘরে রাখাই যায় যাতে করে ভবিষ্যত প্রজম্ম সেই সব মানুষদের পথ অনুসরণ করতে পারে।
বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো। কথা দিচ্ছি টাকা কিংবা সময় কিছুই নষ্ট হবে না।😊