মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক স্থাপন ও ভ্রাতৃত্বের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে সাহিত্য। সাহিত্য সৃজনশীল আকারে প্রকাশ করা হয় বলে একে শিল্প হিসাবে ধরা হয়। গল্প, কবিতা, নাটক, প্রবন্ধ, গান ইত্যাদি নান্দনিক লেখনী দিয়েই মানুষের মনের ভাবকে একমাত্র সাহিত্যের মাধ্যমে শিল্প হিসাবে প্রকাশ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে মুক্তচিন্তার প্লাটফর্ম হচ্ছে ছোটোকাগজ বা লিটল ম্যাগাজিন। অর্থাৎ, ছোটোকাগজ বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধকরণে সকল শাখাকেই সমানভাবে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করে। সাহিত্যের ক্রমোন্নতি এবং গঠন বা কাঠামোকে বিশ্লেষণ করে তার অন্তর্নিহিত অর্থ উন্মোচনে অনন্য ভূমিকা রেখে অগ্রসরমান ছোটোকাগজগুলো। এই সূত্র ধরে সাহিত্যের প্রতি আকৃষ্ট থেকেই দুই বাংলার কবি-সাহিত্যিকদের লেখা নিয়ে দুই মলাটের মধ্যে রেখে শিল্প-সাহিত্যের ছোটোকাগজ ‘সুতাং’ নামে এ সংখ্যা দিয়েই আত্মপ্রকাশ।
এবার আসা যাক কেন এর নামকরণ ‘সুতাং’। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন বা মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। প্রথমে এটা পরিষ্কার করা উচিত যে, সুতাং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হবিগঞ্জ জেলার একটি নদী। এর উৎপত্তি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলে, সেখান থেকে বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা দিয়ে লাখাই (করাব : আমার গ্রামের পাশ দিয়ে গেছে, শৈশবে খেলেছি কতো তার জলের ভেতর-কতো হেঁটেছি তার তীরে সেই সোনালি বিকেল) উপজেলার কালনী নদীতে এসে মিলেছে। এজন্যে এ নদীর নামেই নামকরণ।
সেই সুবাধে লেখার জন্য এই সময়ের আলোচিত কবি-সাহিত্যিকদের আমি বারবার বিরক্ত করেছি, এজন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি।
‘সুতাং’ এ প্রথম সংখ্যাটি জন্মসালের বয়সের ক্রমানুসারে সাজানোর চেষ্টা করেছি। ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
যাঁরা লেখা, পরামর্শ দিয়ে পাশে থেকেছেন সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা।
পারস্পরিক প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় হোক। সকলের জীবনের প্রতিটি দিন ভালো কাটুক।