আপনি কি কেবল একটি পদবীর পেছনে ছুটছেন, নাকি মানুষের হৃদয়ে নিজের স্থায়ী আসন গড়তে চান? কর্পোরেট অরণ্যের গোলকধাঁধায় সবাই ‘বস’ হতে চায়, কিন্তু প্রকৃত ‘লিডার’ হওয়ার দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার সাহস দেখায় খুব কম মানুষই। প্রাজ্ঞ গবেষক এবং প্রযুক্তি-চিন্তক ওয়াহিদুর রহমান তাঁর এই বইয়ে নেতৃত্বের চিরাচরিত সংজ্ঞাকে আমূল বদলে দিয়েছেন।
‘আমি লিডার হবো’ বইটি কেবল কোনো শুষ্ক থিওরি নয়; এটি সাধারণ কর্মী থেকে একজন ভিশনারি নেতারূপে আত্মপ্রকাশের এক গোপন জাদুকরী ব্লু-প্রিন্ট। পনেরোটি অধ্যায়ে লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে ব্যবচ্ছেদ করেছেন—কীভাবে নিজের অন্তর্জগতকে জয় করে অন্যকে অনুপ্রাণিত করতে হয়, কীভাবে সংকটের কালবৈশাখীতে ধ্রুবতারার মতো স্থির থাকতে হয় এবং এআই যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজের অপরিহার্যতা প্রমাণ করা যায়।
এই বইয়ের ভেতরে আপনি যা পাবেন:
নেতৃত্বের ৫ বছরের রোডম্যাপ: একজন জুনিয়র এক্সিকিউটিভ থেকে টপ-লেভেল লিডার হওয়ার বাস্তবমুখী গাইডলাইন।
এআই ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকার ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের আধুনিক রণকৌশল।
বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট: আমাদের দেশের ব্যাংক, টেলিকম, এফএমসিজি এবং স্টার্টআপ জগতের সফল ও ব্যর্থ নেতৃত্বের ব্যবচ্ছেদ।
লিগ্যাসি নির্মাণ: নিজের অর্জিত সাফল্যকে একটি স্থায়ী উত্তরাধিকার বা লিগ্যাসিতে রূপান্তরিত করার দর্শন।
কাদের জন্য এই বইটি?
যারা ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আছেন এবং নিজেকে দ্রুত প্রমোশনের জন্য প্রস্তুত করতে চান।
যারা মধ্যম সারির ব্যবস্থাপক (Mid-level Managers) এবং শীর্ষ নেতৃত্বে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখেন।
উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপ ফাউন্ডারদের জন্য যারা একটি অপরাজেয় টিম গড়তে চান।
যেকোনো পেশাজীবী যারা নেতৃত্বের মাধ্যমে সমাজে ও কর্মক্ষেত্রে নিজের গভীর ছাপ রেখে যেতে চান।
"নেতৃত্ব কোনো চেয়ারের নাম নয়, এটি আপনার আচরণের সেই সুবাস—যা আপনার অনুপস্থিতিতেও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।"
আপনার ভেতরের সেই রাজকীয় নেতাকে জাগ্রত করতে আপনি কি প্রস্তুত? ‘কর্পোরেট নেতৃত্বের ম্যাজিক’ শুরু হোক আজ থেকেই!
প্রযুক্তি আর প্রজ্ঞার নিবিড় মেলবন্ধনে গড়া নাম ওয়াহিদুর রহমান, যিনি ডিজিটাল ভুবনে ‘ফ্রিল্যান্সার ওয়াহিদ’ নামে সমধিক পরিচিত। নব্বইয়ের দশকের শেষলগ্নে নোয়াখালীর স্নিগ্ধ আবহে জন্ম নেওয়া এই স্বপ্নদ্রষ্টা বর্তমানে ঢাকার বাসিন্দা হলেও, তাঁর মননে মিশে আছে শেকড়ের ঘ্রাণ। ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে তিনি যেমন অতীতকে দেখার চোখ রাখেন, তেমনি ব্যবসায় প্রশাসনের গবেষক হিসেবে বুনতে জানেন আগামীর স্বপ্ন। যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র—আন্তর্জাতিক কর্মপরিধিতে বিচরণ থাকলেও তাঁর শেকড় প্রোথিত বাংলা সাহিত্যে। এলসেভিয়ারের মতো বিশ্বখ্যাত জার্নালের রিভিউয়ার কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা—সবখানেই তিনি রেখেছেন মেধার স্বাক্ষর।
তাঁর লেখনী তরুণদের দেখায় স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন ও আত্মজাগরণের মন্ত্র। ‘জীবনের জ্যামিতি’ কিংবা ‘প্রজ্ঞার পাঠশালা’-য় তিনি যেমন জীবনের সমীকরণ মিলিয়েছেন, তেমনি ‘আমি হবো ফ্রিল্যান্সার’ ও ‘নিজেকে জাগাও’ বই দিয়ে দেখিয়েছেন আলোর পথ। প্রযুক্তিগত দক্ষতা আর সৃজনশীলতার মিশেলে তিনি তাঁর পাঠকের জন্য তৈরি করেন এমন এক জগত, যা কেবল তথ্য দেয় না—বরং ভাবায় ও স্বপ্ন দেখায়।