মশলাদার একটা সুবাস , পরিবেশকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে ঝাঁঝালো কাষ্ঠল ঘ্রাণ। অল্প অল্প ধোয়াটে ভাব-ও যেনো লুকিয়ে আছে হরেক মশলার আড়ালেবাসার ছোট্ট বাবু-টাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। এইতো একটু আগেও তো খোলা দরজার কাছে খেলছিলো, তারপর থেকেই নেই। সবাই খুঁজছে আর খুঁজছে হন্য হয়ে.. খানিক বাদে ফোন এলো বাড়ির কর্তার কাছেঃ ”মুহাহাহা, তোমার ছেলে এখন আমাদের হাতে , কালকের মধ্যে ১৫লাখ না দিলে..."! মানুষটার হাত থেকে ফোন ফস্কে গেলো… . ফোনের খবর পেয়ে খুঁজাখুঁজি থামায়ে ফিরে এলো সবাই। বাবুটার চাচ্চু আবার একটু গোয়েন্দা স্বভাবের, প্রচুর ফেলুদা - বোমক্যেশ - এরকুল পোয়েরো পড়ে। সে বাকিদের অভয় দিয়ে জিজ্ঞাসা করলো ভাইকেঃ শেষবার কই ছিলো আরসালান? ভাই দেখায়ে দিলেন জায়গাটা। সেটার কাছাকাছি যেতেই কেমন অন্যরকম অথচ পরিচিত ঘ্রাণ টের পেলো চাচ্চুমশায় । মশলাদার উচ্ছ্বাসী একটা ঘ্রাণ, পরিবেশকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে হালকা ঝাঁঝালো কাষ্ঠল আবছায়া, ধোঁয়াটে ভাব-ও যেনো লুকিয়ে আছে! আরেহ আরেহ, এই ঘ্রাণ তো দুই জায়গায় টের পেয়েছে সে। এক হলো পারফিউমেন্স শপে, তাদের এলকোহলমুক্ত পারফিউম “সিগার” এ। আর দ্বিতীয় হচ্ছে পাশের বিল্ডিং এর বিদেশী মিস্টার রবার্টসন থেকে ! . কালপ্রিট তালিকায় তাহলে দুইজন, আতরচি আর রবার্টসন। কিন্তু আতরচি তো ঠিকানা জানার কথা না, কারণ আহসান চাচ্চু সবসময় পারফিউমেন্সের শোরুমে যেয়ে কেনাকাটা করে। তবুও সে তাদের কাস্টমার ম্যানেজার ভাই-কে ফোন দিয়ে আশ্বস্ত হয়ে নিলোঃ খিলগাঁও শোরুমের রিনোভেশন কাজ চলছে, ঘটনার সময় ওখানেই তদারকিতে ব্যস্ত ছিলো প্রথম কালপ্রিট। ... রবার্টসনের ব্যাপারে অবশ্য অনেকেই এর আগে কথা বলেছিলো, কেমন যেনো সন্দেহজনক চলাফেরা! তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে তার দিকে তাকালে চোখ অন্যদিকে সরায়ে রাখে বিদেশী মানুষটা, গা থেকে তার ভুরভুর করে বের হয় সিগার পারফিউমের ঘ্রাণ। সে বোধহয় এটার বডিস্প্রে-টাই ব্যবহার করে… . কয়েকজনকে সাথে নিয়ে চাচ্চুমশায় রওয়ানা দিলেন পাশের বিল্ডিংয়ের দিকে। ঐ ফ্ল্যাটের কাছাকাছি আসতেই ভেতর থেকে আঞ্চলিক ভাষায় বকা দেওয়ার শব্দ ভেসে আসে, সাথে ছোট্ট বাবুর কান্নার আওয়াজ… দরজা ভেঙ্গে উদ্ধার করা হয় আরসালান-কে, আচ্ছা করে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় অপরহণকারী দলের মূল হোতা এবং তার দেশীয় সহযোগীদের। কাল্পনিক ঘটনাটায় বাবু উদ্ধারে ঘ্রাণীয় ভূমিকা রাখায় পারফিউমেন্স-ও (মনে মনে) ধন্যবাদ পেয়েছিলো বৈ কি!
Perfumance is a Bangladeshi brand that specializes in alcohol-free perfumes, attars, and grooming products. Founded in 2014, the brand focuses on creating high-quality, affordable, and long-lasting fragrances suitable for the South Asian climate and cultural preferences. Perfumance offers a range of scents for both men and women, with products available both in their stores in Dhaka and Chittagong and online through platforms like Rokomari.com.