44 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 450TK. 387 You Save TK. 63 (14%)
ফ্ল্যাপে লিখা কথা ‘হিমু’কে অর্থাৎ হিমালয়কে কি আপনারা চেনেন? তার রহস্যময় জগত সম্পর্কে আপনাদের ধারণা কি? আপনাদের সাথে তার কি কখনো দেখা হয়েছে? অথবা আপনার কি কখনো মনে হয়ে
আহা সে আসুক। এই ভয়ংকর সুন্দর পৃথিবীতে আমি না থাকলাম,সে থাকুক। তার চোখ দিয়েই আমি আবার জোছনা দেখব। তার সঙ্গে ভিজব বর্ষার নবধারা জলে।
Was this review helpful to you?
By Wasifa Zannat, Jul 23, 2016
”হিমু সমগ্র-২” বইটিতে হিমুকে নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের লেখা তিনটি উপন্যাস আছে।উপন্যাসগুলো হলো- এবং হিমু/ হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম/ হিমুর দ্বিতীয় প্রহর।গল্পগুলোর পরিচিতি- “এবং হিমু” গল্প থেকে-সময়টা রাত একটা। তবে এটা হিমুর জন্য তেমন একটা রাত না, বলা যেতে পারে রাতের শুরু। এতো রাতে রাস্তা ধরে হাঁটতে তার তেমন কোন আপত্তি নেই। তবে সমস্যা শুধু এক জায়গায়। নিশিরাতের খদ্দেরকে কোন হোটেলেওয়ালা বিনা পয়সায় খাওয়ায় না। হিমুর গায়ে যে পাঞ্জাবি তাতে কোন পকেট নেই। পকেট নেই বলেই মানিব্যাগও নেই। পকেটহীন এই পাঞ্জাবি তাকে রূপা কিনে দিয়েছে। ---”পাঞ্জাবির এই বিরাট ত্রুটির দিকে রূপার দৃষ্টি ফেরাতেই সে বলল, পকেটের তোমার দরকার কি! রূপবতী মেয়েদের সব যু্ক্তিই আমার কাছে খুব কঠিন যুক্তি বলে মনে হয়। কাজেই আমিও বললাম, তাই তো, পকেটের দরকার কি।রূপা বলল, তুমি নিজেকে মহাপুরুষ টাইপের একজন ভাব। মহাপুরুষদের পোশাক হবে বাহূল্য বর্ত। পকেট বাহূল্য ছাড়া কিছু না।”===”হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম ” গল্প থেকে-সারা দিন হিমুকে থানায় বসিয়ে রাখা হয়। রাতে ওসি নানা প্রশ্ন করে, থানার রেকর্ড অফিসার এর কাছে হিমু সম্পর্কে জানতে পেরে ওসি হিমুকে ছেড়ে দেন। এবং হিমুকে ওসির পছন্দ হয়। রাত দুইটা বাজে এই সময় বাইরে কোন গাড়ি পাবে না তাই ওসি পুলিশের জীপ দিয়ে হিমুকে তার গন্তব্যে পৌছে দেন। পাঁচ বছর পর মারিয়ার সাথে আবার হিমুর দেখা হয়। মারিয়াকে নিয়ে হিমু ভাবতে চায় না কিন্তু হিমুর ভাবনার জগতে মারিয়া আবার চলে আসে। পাঁচ বছর আগে মারিয়া একটা ইন্টারেস্টিং চিঠি লিখেছিল। সাংকেতিক ভাষায় চিঠি। এই সাংকেতিক চিঠির পাঠোদ্ধার করে দেয় হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল। কিন্তু হিমু সে চিঠির উত্তর দেয় না, মারিয়ার সাথে আর যোগাযোগও হয় না। বহু দিন পর আবার যোগাযোগ হল হঠাৎ দেখায়।===”হিমুর দ্বিতীয় প্রহর” গল্প থেকে হিমুর বাসার ভয় বিষয়ক উপন্যাস- ”একজন মানুষ তার এক জীবনে অসংখ্যবার তীব্র ভয়ের মুখোমুখি হয়। তুমিও হইবে। ইহাই স্বাভাবিক। ভয়কে পাশ কাটাইয়া যাইবার প্রবণতাও স্বাভাবিক প্রবণতা। তুমি অবশ্যই তা করিবে না। ভায় পাশ কাটাইবার বিষয় নহে। ভয় অনুসন্ধানের বিষয়। ঠিকমতো এই অনুসন্ধান করিতে পারিলে জগতের অনেক অজানা রহস্য সম্পর্কে অবগত হইবে। তোমার জন্য ইহার প্রয়োজনীয়তা আছে। তবে তোমাকে বলিয়া রাখি, এই জগতের রহস্য পেয়াজের খোসার মতো। একটি খোসা ছাড়াইয়া দেখিবে আরেকটি খোসা। এমনভাবে চলিতে থাকিবে- সবশেষে দেখিবে কিছুই নাই। আমরা শূন্য হইতে আসিয়াছি, আবার শূন্যে ফিরিয়া যাইব। দুই শূন্যের মধ্যবর্তী স্থানে আমরা বাস করি। ভয় বাস করে দুই শূন্যে। এর বেশি এই মুহূর্তে তোমাকে বলিতে ইচ্ছা করি না।”