22 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 700TK. 560 You Save TK. 140 (20%)
"সেরা পাঁচ হিমু" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
সাধারণ লেখকেরা কিছুকাল পরে হারিয়ে যান, আর যারা অনন্য, অসাধারণ, এই মরলােকে তাঁদের অমরতার কখনাে অবসান হয় না। আকাশের অজস্র নক্ষত্র
”সেরা পাঁচ হিমু” বইটি হিমুকে নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের লেখা সেরা পাঁচটি গল্প নিয়ে সাজানো।গল্পগুলো হলো- এবং হিমু, হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D বল্টু ভাই, হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম, হিমুর দ্বিতীয় প্রহর, হিমুর রূপালী রাত্রি। কিছু গল্পের পরিচিতি দেওয়া হলো===”এবং হিমু” গল্প থেকে- সময়টা রাত একটা। হিমুর গায়ে যে পাঞ্জাবি তাতে কোন পকেট নেই। পকেট নেই বলেই মানিব্যাগও নেই। পকেটহীন এই পাঞ্জাবি তাকে রূপা কিনে দিয়েছে। ---”পাঞ্জাবির এই বিরাট ত্রুটির দিকে রূপার দৃষ্টি ফেরাতেই সে বলল, পকেটের তোমার দরকার কি! রূপবতী মেয়েদের সব যু্ক্তিই আমার কাছে খুব কঠিন যুক্তি বলে মনে হয়। কাজেই আমিও বললাম, তাই তো, পকেটের দরকার কি।রূপা বলল, তুমি নিজেকে মহাপুরুষ টাইপের একজন ভাব। মহাপুরুষদের পোশাক হবে বাহূল্য বর্জিত।===’হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম’ গল্পে দেখা যায়-সারা দিন হিমুকে থানায় বসিয়ে রাখা হয়। রাতে ওসি নানা প্রশ্ন করে, থানার রেকর্ড অফিসার এর কাছে হিমু সম্পর্কে জানতে পেরে ওসি হিমুকে ছেড়ে দেন। রাত দুইটা বাজে এই সময় বাইরে কোন গাড়ি পাবে না তাই ওসি পুলিশের জীপ দিয়ে হিমুকে তার গন্তব্যে পৌছে দেন। পাঁচ বছর পর মারিয়ার সাথে আবার হিমুর দেখা হয়। পাঁচ বছর আগে মারিয়া একটা ইন্টারেস্টিং চিঠি লিখেছিল। সাংকেতিক ভাষায় চিঠি। এই সাংকেতিক চিঠির পাঠোদ্ধার করে দেয় হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল। কিন্তু হিমু সে চিঠির উত্তর দেয় না, মারিয়ার সাথে আর যোগাযোগও হয় না। বহু দিন পর আবার যোগাযোগ হল হঠাৎ দেখায়।===’হিমুর রূপালী রাত্রি’ গল্পতে দেখা যায় হিমু আর তামান্না নামে একটি মেয়ের বিয়ের কথাবার্তা চলছে। গল্পের এক পর্যায়ে দেখা যায়, তামান্না বিয়েতে রাজিও হয়ে যায়। কিন্তু-আমি ঘর ছাড়িয়া বাহির হইয়া জ্যোৎস্না ধরতে যাই।/হাত ভর্তি চাঁদের আলো, ধরতে গেলে নাই।/তামান্নার হাত ধরা হলোনা আর/ কারণ হিমুরা কারো হাত ধরেনা। /হাত ধরলেই মায়ায় পরে যাবে, মায়া তখন অসহায়।/ পৃথিবীও তখন অসহায় হয়ে যাবে মায়ার কাছে।===হিমু বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় চরিত্র। হিমু একজন বাউন্ডুলে ধরনের যুবক।বয়স ২৫-৩০ বছরের মধ্যে। তার পোশাক ও গেট-আপ কিছু কিছু মানুষের কাছে বিরক্তিকর । সে খুব একটা সুদর্শন না কিন্তু তার চোখ ও হাসি খুব সুন্দর হিমু চরিত্রের আসল নাম হিমালয়। এ নামটি রেখেছিলেন তার বাবা। যার বিশ্বাস ছিল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যদি প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা যায় তবে একইভাবে মহাপুরুষও তৈরি করা সম্ভব। তার মহাপুরুষ তৈরির বিদ্যালয় ছিল যার একমাত্র ছাত্র ছিল তার সন্তান হিমু। উপন্যাসে প্রায়ই তার মধ্যে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রকাশ দেখা যায়। যদিও হিমু নিজে তার কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা স্বীকার করে না। হিমুর আচার-আচরণ বিভ্রান্তিকর। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার প্রতিক্রিয়া অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে, এবং এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হিমুর অত্যন্ত প্রিয় একটি কাজ।