অবিরুদ্ধ মাহমুদ-নামের যশে নিজেকে না খুঁজে বরং আত্মানুসন্ধানে মগ্ন এক শব্দশ্রমিক। নিজেকে তিনি ভাবেন এক চঞ্চল তরঙ্গ, যাকে প্রতিনিয়ত ছুঁয়ে যায় বিষন্ন মেঘলা বাতাস। কখনো পাহাড়ের অখণ্ড নীরবতায় দাঁড়িয়ে তিনি শোনেন অলিখিত কোনো মহাকাব্য, কখনো বা নদীর অবাধ্য যোতে মিশিয়ে দেন নিজের মন। সমুদ্রের নোনা জল আর উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে তিনি খুঁজে পান জীবনের আদিম ছন্দ।
প্রকৃতির প্রতি তাঁর অনুরাগ অতি গভীর। শিউলির শুভ্রত্য আর শিমুল-পলাশের রক্তিম বসন্ত তাঁর সন্তায় দোলা দেয়। সবুজের অরণ্যে তিনি হারিয়ে যেতে ভালোবাসেন, আর টিনের চালে বৃষ্টির রিনিঝিনি শব্দে খুঁজে পান কাব্যের নিগূঢ় সুর। স্মৃতির সুবাস মাখ্য সুগন্ধি আর মাটির কাছাকাছি জীবনই তাঁর
পরম আশ্রয়।
মানুষকে ভালোবাসার এক সহজাত তাড়না তাঁর ভেতর
প্রবহমান। ভুল হলে ক্ষমা চাইতে জানেন তিনি। আসলে, নিজের ভুল মেনে নেওয়াটা বড় সাহসের ব্যাপার। আর এই সাহসটাই তাকে মানুষের মাঝে মানুষের আরো কাছাকাছি নিয়ে যায়। তিনি জানেন, মানুষ হওয়াটা সহজ নয়, তবুও মানুষ হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অবিরত।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
একক কাব্যগ্রন্থ: খানিক অন্যরকম, কাজলা মেয়ে হরিণী
চোখ
সম্পাদিত গ্রন্থ: জ্যোত্মা জলের কাব্য
যৌথ কাব্যগ্রন্থঃ বাসন্তী, কাব্যের হাতছানি, বিষাদের এই সমকাল, সহমর্মিতার সংবেদন।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাহিত্য সাময়িকীতে তাঁর সৃজনশীল লেখা নিয়মিত পাঠক সমাদর পেয়ে আসছে।