facebook-pixel

Sort

Filters

Authors

close-icon

Categories

close-icon

Publishers

close-icon

Languages

close-icon

Ratings

Shop by Price

৳0

৳500

Shop by Discount

0%

45%

publisher-info
4 followers

Major General Mohammad Akbar Khan

১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের একটি অভিজাত সৈনিকপরিবারে জন্মলাভ করেন। পিতা রাজা ফযলদাদ খান ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন মেজর ছিলেন। জন্মের পর প্রধানত নানির মুখেই তার পূর্বপুরুষের শৌর্য-বীর্য ও বীরত্বগাথা শুনে শুনে বালক আকবর খানের মনেও সৈনিক হওয়ার বাসনা জাগে। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি সেনাবাহিনীতে ভর্তি হন। এ বছরেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। ট্রেনিং শেষে তাকে ইরান ও ইরাক-ই-আরব রণাঙ্গনে পাঠানো হয়। তারপর ১৯১৫ সালে সংঘটিত যুদ্ধে তার অপরিসীম বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি 'রাজকীয় কমিশন' লাভ করেন। বিখ্যাত আলী ভ্রাতৃদ্বয়ের (মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী) সঙ্গে সেসময়কার একটি সাক্ষাৎকার তার জীবনের একটি স্মরণীয় ঘটনা। এ সাক্ষাৎকার তার দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাচেতনায় বিরাট পরিবর্তন সূচিত করে। মাওলানা মুহাম্মদ আলী তাকে বলেছিলেন, আকবর, যে বীরত্বের জন্য তুমি গর্বিত, তুমি জান না, মুসলিম জাহানকে তা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ১৯১৪-১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তোমাদের কৃতিত্ব তোমার ও তোমার সহযোগী ভারতীয় সৈনিকদের দিনের একটি সোনালি অধ্যায় বটে। কিন্তু এর একটি দুঃখজনক ও মর্মস্পর্শী দিকও রয়েছে। তোমাদের বীরত্ব আমাদের কাছ থেকে দুটি সম্পদ ছিনিয়ে নিয়েছে। ১. জিহাদী প্রেরণা, যা মসলিম বিশ্বের সর্বাধিক শক্তিশালী হাতিয়ার। ২. নিশানে খিলাফত (খিলাফতের প্রতীক), যার পতাকাতলে মুসলিমরা প্রয়োজনে এক হতে পারতো। ১৯৩৯-১৯৪৫ সালে সংঘটিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি যোগদান করে বীরত্ব ও সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষব্যাপী সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৪৭-এর দেশবিভাগের সময় তিনি পাকিস্তানের অনুকূলে স্বীয় খেদমত পেশ করেন। ১৯৪৮ সনে কাশ্মিরকে কেন্দ্র করে পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি তার অসীম সাহসিকতা ও যোগ্যতা প্রদর্শন করেন। পদোন্নতির মাধ্যমে এ সময় তিনি মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হন। তারপর ৩৭ বছর সামরিক বিভাগে চাকুরি করার পর তিনি ইসলাম ও মহানবী সা. এর সমরকৌশল ও প্রতিরক্ষানীতি সম্পর্কে লেখনী ধারণ করেন। হাদিসে দেফা, হামারা দেফা, আসলাহায়ে জঙ্গ, জিহাদে সিদ্দিক, খালিদ বিন ওয়ালিদ, ইসলামি তরিকে জঙ্গ প্রভৃতি তার শ্রেষ্ঠতম রচনা।