সাইফুর রহমান কায়েস তার 'বন্ধুমঙ্গল কাব্য' কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ সনের মহান একুশে ফেব্রুয়ারী বাংলা একাডেমীর বইমেলায় অভিষেক ঘটলেও আপাদমস্তক আধুনিক এই কবির নাম বাংলাকাব্য জগতে এক পরিচিত নাম। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী কায়েস একাধারে কবি, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, কাব্য সমালোচক, অনুবাদক, সংগঠক, সম্পাদক, অভিনেতা ক্ষুদ্রঋণ বিশেষজ্ঞ। ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দ সালে ১০ বছর বয়সে রুসমত নামে একটি ছোটগল্পের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে তার অভিষেক ঘটে। ১৯৯৩ সালে কবি পার্থ সারথি চৌধুরীর সাহ্নিধ্যে আসার পর থেকেই তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। এরপর থেকে দৈনিক যুগভেরী, আজকের কাগজসহ নানা কাগজে সাহিত্যে-সমাজনীতি-রাজনীতি-দর্শনসহ নানা বিষয়ে অবিরাম লিখে গেছেন। উদ্বর্তন নামে একটি উপন্যাসিকা ১৯৯৪ সালে যুগভেরীতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে.২০০৩ সালে পূর্ণিমা অথবা ফণিমনসা নামে একটি ছোটগল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি অভিনব, বুদ্ধিদীপ্ত গদ্যশৈলীর আবিষ্কারক হিসাবে খ্যাতি লাভ করেন। বর্ষামঙ্গল কাব্য বাংলা কাব্যজগতে আরেকটি নতুন সংযোজন। এই কাব্যগ্রন্থে তিনি লোকজ ভাবধারার উপর সফল নিরীক্ষা চালিয়েছেন। কবিতা তার কাছে নিজের সংসার, কবিতা তার ব্রত-কৃত্য- আচার। এই গ্রন্থে সুফিজম, ভাটিয়ালি, কীর্তন, ভজন, মাটির সোঁদাগন্ধ, উত্তরাধুনিকতা ও যাদুবাস্তবতা এবং লোকজদর্শনের এক শিল্পিত সমাবেশ ঘটেছে। তার নিজের ভাষায় এটি একটি ফিউশন। প্রকাশিত গ্রন্থটি কাব্যামোদীদের নজর কাড়তে সক্ষম হবে বলে শুভানুধ্যায়ীগণ মনে করেন। তিনি সাপ্তাহিক জয়বার্তার