facebook-pixel

Sort

Filters

Authors

close-icon

Categories

close-icon

Publishers

close-icon

Languages

close-icon

Ratings

Shop by Price

৳0

৳500

publisher-info
3 followers

Proffesor Dr. Badrul Huda Khan

অধ্যাপক ড. বদরুল হুদা খান (www.BadrulKhan.com), একজন বিশ্ব বিখ্যাত ই-লার্নিং বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, লেখক, বক্তা, এবং পরামর্শক। ১৯৯৫ সালে তিনিই প্রথম শিক্ষার জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সম্ভাবনা চিহ্নিত করেন। ১৯৯৭ সালে তার বই “ওয়েব-বেসড ইন্সট্রাকশন’ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি ‘ওয়েববেসড ইনস্ট্রাকশন’ ধারণাটি বিশ্বে প্রথম নিয়ে আসেন। এই বইটি বেস্ট সেলার হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং বিশ্বের প্রায় ৫ শত বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক ও রেফারেন্স গাইড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ড. খান এই বইটিতে শিক্ষা ক্ষেত্রে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন যার ফলে লেখাপড়ায় ওয়েবের জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে যা পরবর্তীতে মর্ডান ই-লার্নিংয়ের পথ সুগম করে দেয়। অধ্যাপক খানের অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৪ সালে নেটো (NATO) জোটভুক্ত দেশগুলোর ই-লার্নিংয়ে তাঁকে “মর্ডান ই-লার্নিংয়ের জনক হিসেবে” আখ্যায়িত করেন। ২০১৫ সালে United States Distance Learning Association (USDLA) অধ্যাপক খানকে “Hall of Fame” (বিশ্বব্যাপী ই-লার্নিংয়ের কিংবদন্তী ব্যক্তিত্ব হিসাবে) সম্মানে ভূষিত করে। অধ্যাপক খানের মোবাইল লার্নিং মডেলটিকে কমনওয়েলথ জোটভুক্ত দেশগুলোর সংগঠন কমনওয়েলথ অফ লার্নিং (COL) একটি সম্পন্ন কার্যকর ও বৈধ মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০১২ সালে মিশরীয় ই-লার্নিং বিশ্ববিদ্যালয় কাউন্সিল ড. খানকে honorary distinguished professor of e-learning হিসেবে নিযুক্ত করে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়নে স্নাতক ও ইনসট্রাকশনাল সিস্টেমস টেকনোলজিতে (শিক্ষাপ্রযুক্তি) ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন ১৯৯৪ সালে। ১৯৯৪ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের এডুকেশনাল টেকনোলজি গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল স্কুলে শিক্ষামূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে অধ্যাপক খান জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির এডুকেশনাল টেকনোলজি লিডারশিপ গ্রাজুয়েট প্রোগ্রাম এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিশ্বনন্দিত "ই-লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক" প্রকাশ করেন ১৯৯৯ সনে। তার ফ্রেমওয়ার্কের উপর ভিত্তি করে, তিনি ১৫ টি বই ও ১০০ টি রিসার্চ পেপার লিখেছেন, সারা বিশ্বে ১০০টির মত ই-লার্নিং সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন, এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য অধ্যাপক ও শিক্ষার্থীরা যথাক্রমে তাদের পেশাদারী ও ডক্টরেট গবেষণার জন্য ই-লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করছেন। ড. খান আমেরিকাতে একটি নতুন টিভি শো "খান'স ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড" (KhansDigitalWorld.com) শুরু করেছেন যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বব্যাপী আইসিটির ব্যবহার ও উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেন এবং প্রতি episode এ সুযোগ অনুযায়ী বাংলাদেশের আইসিটির সম্ভাব্য ভবিষ্যত নিয়েও আলোচনা করেন যাতে বিদেশী বিনিয়োগ মজবুত হয়। চট্টগ্রামের পাঠানটুলী খান বাড়িতে জন্ম, ড. খানের বাবা মরহুম লোকমান খান শেরওয়ানী একজন কবি, সাংবাদিক, এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, মা মরহুমা শবনম খানম শেরওয়ানী একজন শিক্ষিকা, লেখিকা ও গায়িকা ছিলেন।