শব্দ সৈনিক-কলম সৈনিক, মোঃ মজিবুর রহমান খান আজ কঠিন বাস্তবতার স্বীকার। প্রতিদিন সংবাদের পিছু ছুটতে ছুটতে নিজেই হয়েছেন এখন সংবাদ শিরোনাম। প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, আপোষহীন সংগ্রাম, সামাজিক ক্যান্সারের ঘাতকতার দৌরত্ব, আদর্শ, দর্শন তাকে আজ নতুন করে শিখিয়েছে। সাহসিকতার সাথে আরো সামনে এগুতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। মুজিবুর রহমান খান শৈশব-কৌশর থেকেই ভাবুক প্রকৃতির। জীবনে শুরুতে ভাবনা ছিল ফুল, পাখি, নদী, আকাশ, ভরা তারা ও প্রকৃতির অপার বিস্ময় নিয়ে। যৌবনে মাতৃভূমির অমলিন স্মৃতি, প্রিয় পরিজন, প্রেম ভালবাসা, স্মৃতি হাতড়ে পাওয়া কোনো প্রিয়জনের মুখ। ভালবাসার মানুষের চোখ যখনই তার হৃদয় ক্যাম্পাসে ভেসে ওঠে, ঠিক তখনি শব্দ গাঁথার অলৌকিক ব্যঞ্জনায় চিত্রায়িত করেন ভিন্ন ভাবে।
মজিবুর রহমান জীবন ও জীবকার জন্য পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন সাংবাদিকতাকে। তিনি একজন নির্ভীক সাংবাদিক। দেশ-বিদেশের সংবাদ মাধ্যমের সাথে তিনি জড়িত। ১৯৮৫ সালে সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল নেত্রকোনার পূর্বধলা থেকে। আজো থেমে নেই তিনি। জাতীয় গণমাধ্যম কর্মীদের কাতারে তিনিও একজন। প্রিন্ট মিডিয়ায় বিশেষ করে পত্রিকা জগতে তিনি পরিচিত মুখ।
মোঃ মজিবুর রহমান খান, পিতা-আলী নেওয়াজ খান, মাতা- মোসাম্মৎ হাজেরা খাতুন ১৯৬৫ সালের ১৭জুন মাতুলালয় নেত্রকোনার পূর্বধলার বাড়হা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন, নিজ গ্রাম বাট্রা।
শিক্ষা জীবন শুরু হয় পূর্বধলা জগৎমনি পাইলট স্কুল থেকে। পরবর্তিতে পূর্বধলা ডিগ্রী কলেজ এবং রাজধানী ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।