জন্ম এখনকার বাংলাদেশের জেলা যশােরে। গ্রাম মাগুরা, নদীর নাম
নবগঙ্গা। গ্রাম থেকে একটু দূরে আর এক নদী মধুমতী। তার কূলেই সাতদোয়ার শ্মশান। ওই মধুমতীর কূলেই মায়ের শেষ বারের মতাে শায়িত শরীর প্রজ্বলিত আগুনের শিখায় আকাশের কাছে পাঠিয়ে
দেশত্যাগ অধীরের। সীমানা পার হয়েছেন ১৯৬৭ সালে। আর নদী মধুমতীর কূল থেকে আকাশের দিকে হা-হা যাত্রা-করা
আগুনের শিখা সম্বল করেই লেখালিখি শুরু ১৯৭৬ সালে। সম্বল বলতে শুধুমাত্র মা- শেষ বারের মতাে দেখা মায়ের আলতারাঙা পা। মায়ের সেই আলতারাঙা পা ছোঁয়ার ইচ্ছেয় এক একবার ফিরে তাকানাে নিয়ে তাঁর একটি একটি লেখা।
লেখার সংকলন।