লেখকের পৈত্রিক নিবাস নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজে- লাধীন খাজুড়িয়া গ্রামে। বাবার বাংলাদেশ রেলওয়েতে চাকরির সুবাদে বিভিন্ন শহরে ঘুরে তাঁর শৈশব কেটেছে। কৈশোরে পড়াশুনা করেছেন লালমনিরহাটে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরি জীবনে তিনি কখনোই রক্ষণশীল কর্মকর্তা ছিলেন না। জীবনের প্রতিটি অবস্থায় মানুষের জন্য কল্যাণ- কর কিছু করার নিরন্তর প্রচেষ্টা অদ্যাবধি তিনি করে যাচ্ছেন। চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন, কর্মচারীদের জন্য কল্যাণ তহবিল গঠন, দুঃস্থ মানুষের প্রতি সাধ্যানুযায়ী সহায়তার হাত প্রসারিত করতে তিনি সর্বদাই সচেষ্ট। নিজ উদ্যোগের পাশাপশি * আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের সহায়তা নিয়ে তিনি সমন্বিতভাবে মানুষের কল্যাণে নানাবিধ কাজ করেছেন এবং অদ্যাবধি করছেন। কল্যাণকর কাজসমূহ বিছিন্নভাবে না করে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু করার মানসে ১৯৮৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'মৌসুমী' নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা।
লেখালেখির হাতে খড়ি স্কুল জীবন থেকেই যদিও তা অনিয়মিত ও বিচ্ছিন্ন। প্রকাশিত কয়েকটি গ্রন্থের মধ্যে বংশধর, সাহেব, আঠারো নম্বর কেবিন, জীবন যেমন, তিক্ত ওষুধ, রুগ্ণ চিকিৎসা ও জিম্মি জনগণ, বিলেতে বাংলার যুদ্ধ, নির্বাচিত গল্প, আমি ও তাহারা, অন্যরকম, তবুও ফেরা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।