Asma Rahaman নামের 'A' আর জিল্লুর রহমান নামের ‘জি’। দুই বর্ণ মিলিয়ে নাম ‘Aজি’! ইংরেজি-বাংলা অদ্যাক্ষরের মিশেলে বিচিত্র এ নামের দায়ভার সম্পূর্ণই লেখকের মা-বাবার। অদ্ভুত এই পরিকল্পনার সাথে লেখক কোনোভাবেই জড়িত নন। জন্ম ঢাকাতেই। শহুরে জীবনের নিয়ম আর সীমারেখা মেনে অবিরাম ছুটে চলা তিলোত্তমা নগরীতে। ভাবতে ভালবাসেন, হুট করে হারিয়ে যাবেন একদিন!
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স করেছেন বাংলা সাহিত্যে। অবসর কাটে বইয়ের পাতায়, ল্যাপটপের পর্দায় আর নিঃসঙ্গতায়।
দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকগুলোতে সাংবাদিকতা করেছেন বছর সাতেক। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার শুরুটা ছিল গাজী টেলিভিশনে (জিটিভি)। বর্তমান কর্মস্থল সংবাদভিত্তিক স্যাটেলাইট চ্যানেল সময় টেলিভিশন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সংবাদ উপস্থাপনাও করছেন নিয়মিত।
কল্পনার দৌড়ে ফ্যান্টাসি, হরর, অতিপ্রাকৃত, অলৌকিক, রহস্য আর সায়েন্স ফিকশন গল্প লিখছেন অনেকদিন ধরেই। এখনো পর্যন্ত বইয়ের সংখ্যা তিনটি। অতিপ্রাকৃত গল্পের বই ‘বিড়ালী’ ও ‘দংশক’। অন্যটি পলিটিক্যাল স্যাটায়ার ‘রাজকূটের মজারু’। লেখালেখির শুরুটা শখের বসেই। তবে শেষ কিভাবে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত নন এখনও