সীমা বড়ুয়া একজন শিক্ষিকা। তাঁর জন্ম ২ মার্চ ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান গ্রামে। তিনি একটি সম্ভ্রান্ত বৌদ্ধ পরিবারের সন্তান। তাঁদের পরিবারে পাঁচ ভাইবোন। তিন বোন, দুই ভাই এদের মধ্যে তিনি হলেন জ্যৈষ্ঠ।
তাঁর পিতা সুদত্ত কুমার বড়ুয়া একজন স্বনামধন্য শিক্ষক। স্থানীয় সরকারি বিদ্যালয়ে তিনি কর্মরত ছিলেন। ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দের ৯ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মাতা শচী রানী বড়ুয়া একজন গৃহিণী। তিনি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দের ২১ ডিসেম্বরে মৃত্যুবরণ করেন।
সীমা বড়ুয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাউজান উপজেলার 'নোয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজ' হতে স্নাতক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ হতে স্নাতকোত্তর এবং বি.এড ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি 'বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড', ঢাকা হতে সর্বোচ্চ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি ঢাকার সবুজবাগ থানাস্থ 'ধর্মরাজিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ' এ শিক্ষকতায় যোগদান করেন।
সীমা বড়ুয়া শিক্ষাজীবন থেকেই বিভিন্ন সৃজনশীল লেখার সাথে যুক্ত। শিক্ষকতার সূচনালগ্ন হতে তিনি 'জাতীয় পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাক্রম বোর্ড এর বৌদ্ধধর্ম ও পালি বিষয়ের পাঠ্যপুস্তক রচনা ও সংস্কারের বহুবিধ কাজের সাথে সম্পৃক্ত হন। ইতোমধ্যে তাঁর বহু প্রবন্ধ ও বিভিন্ন বিষয়ে নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
পারিবারিক জীবনে সীমা বড়ুয়া বিবাহিত ও দুই সন্তানের জননী। তাঁর সন্তানদের নাম হলো প্রমিত বড়ুয়া সৌম্য ও সৌভময় বড়ুয়া সুম্মিত। তাঁর স্বামী প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। তাঁর জন্মস্থান চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কানাইমাদারী গ্রামে। তিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরস্থ 'রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ' এর উপ-উপাচার্য পদে আসীন। তিনিও বহু গ্রন্থের প্রণেতা।