facebook-pixel

Sort

Filters

Authors

close-icon

Categories

close-icon

Publishers

close-icon

Languages

close-icon

Ratings

Shop by Price

৳0

৳500

Shop by Discount

0%

15%

publisher-info
1 follower

Dr. Panchanan Acharya

ডা. পঞ্চানন আচার্য্য এমবিবিএস, এমডি (সাইকিয়াট্রি), বিসিএস (স্বাস্থ্য) সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মনোরোগ বিদ্যাবিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ, চট্টগ্রাম। জন্ম: ১৯৮২ চট্টগ্রাম। বাবা: অধ্যাপক হরিকৃষ্ণ আচার্য্য, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, গণিত বিভাগ, বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ। মা: অধ্যাপিকা রত্না শ্রী আচার্য্য, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, পদার্থবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম কলেজ। স্ত্রী: প্রকৌশলী এ্যানি আচার্য্য। বড় ছেলে শুভানন শৌর্য, ছোট মেয়ে: মহাশ্বেতা বিভা। ডা. পঞ্চানন আচার্য্য পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর নিউরোমেডিসিন, নেফ্রোলজি ও মেডিসিন বিভাগে দেড় বছর অবৈতনিক স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন। সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে পরবর্তীতে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের মতো প্রান্তিক কর্মস্থলে দুই বছরেরও বেশি সময় চাকরির পর ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এমডি (সাইকিয়াট্রি) কোর্সে ভর্তি হন। পাঁচ বছরের প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমডি (সাইকিয়াট্রি) ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর মেডিক্যাল অফিসার, বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; প্রভাষক (এনাটমি) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ; আউটডোর মেডিক্যাল অফিসার (সাইকিয়াট্রি), সহকারী অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রি)-হিসেবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রণীত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের চিকিৎসার জন্য জাতীয় গাইড লাইন, বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন প্রণীত ওসিডি গাইড লাইন, এবং বাংলাদেশের এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের কারিকুলামের অন্তর্ভুক্ত 'Medical Humanities'- বইটি রচনাতে সক্রিয় অবদান রেখেছেন। বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজ সমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম ২০১৯ খ্রিঃ-তে 'স্টুডেন্ট কাউন্সেলিং সেন্টার' চালু করার দাবিদার তিনি। রোগীদের চিকিৎসা সুবিধার্থে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর মনোরোগ বিদ্যা বিভাগে চালু করেছেন ছয়টি বিশেষায়িত ক্লিনিক। এছাড়াও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, বিদ্যালয়, টেলিভিশন চ্যানেল, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রভৃতিতে নিয়মিত সভা-সেমিনার পরিচালনা করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি জার্নালে তিনি এ পর্যন্ত ১৫ টির অধিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন, সেই সাথে নিয়মিত পিয়ার রিভিউ করেন, এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৪ খ্রিঃ-এ তিনি 'অন্বেষণ' নামের নিজের একটি রিসার্চ গ্রুপ এবং ২০২৫ খ্রিঃ-এ নিজ বিভাগে 'সাইকিয়াট্রি রিসার্চসেল' গঠন করেন। সাইকিয়াট্রি'- বিষয়টিকে তিনি তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের অংশ হিসেবে মনে করেন। তবে, ' শিক্ষকতার কাজটিও তিনি প্রচণ্ডভাবে উপভোগ করেন। আক্ষরিক অর্থেই তাঁর চৌদ্দপুরুষ ধরে বহমান শিক্ষকতার ধারাটি তিনি ধরে রাখতে চান একজন সত্যিকারের শিক্ষক হয়ে। এছাড়া তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেন- কবিতা, গল্প এবং মানসিকস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক লেখা। এর বাইরে তাঁর সময় কাটে গানশোনা, বইপড়া, বেড়ানো, পরিবারের সাথে থাকা-র মাধ্যমে। এভাবেই, বিভিন্ন অহেতুক দ্বন্দ্ব-জটিলতা-হাঙ্গামাতে না জড়িয়ে, আপন মনে কাজ করতে করতে, নিজের মতো করে জীবনকে উপভোগ করে যেতে চান আজীবন।